বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
বৃদ্ধা মাকে উচ্ছেদের চেষ্টা, হামলা-মামলার চাপে অসহায় এক পরিবারের আর্তনাদ
/ ৪০ দেখা হয়েছে
বার : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ন

আলমডাঙ্গা প্রতিনিধি ॥ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে শান্তিতে দু’মুঠো ভাত খেয়ে নিজের ছোট্ট বসতঘরে মাথা গুঁজে থাকার স্বপ্ন ছিল বৃদ্ধা ঠেকারী খাতুনের। স্বামী হারিয়েছেন বহু আগেই। বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই নারী জীবনের শেষ সময়টুকু নিজের ভিটেমাটিতে কাটাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ আতঙ্ক, মামলা আর নিরাপত্তাহীনতার কালো ছায়ায় ঢেকে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি ও তার পরিবার। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বলেশ্বরপুর এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধা ঠেকারী খাতুন ও তার মেয়েদের ওপর হামলা, মারধর, স্বর্ণালংকার ছিনতাই এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। পরিবারটির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং একের পর এক মামলায় জড়িয়ে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঠেকারী খাতুনের নামে থাকা প্রায় ৭.২৫ শতক জমি তিনি তার তিন মেয়ের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। সেই জমিতেই তিনি একটি ছোট বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু প্রতিবেশীদের একটি পক্ষ ওই জমির ওপর দাবি তুলে নানা সময় বিরোধ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ। মোছাঃ ময়না খাতুন বলেন, “আমার মায়ের বয়স হয়েছে। তিনি একা থাকেন। আমরা মেয়েরা সুযোগ পেলেই মায়ের খোঁজ নিতে যাই। কিন্তু মায়ের বাড়িতে গেলেও এখন ভয় নিয়ে যেতে হয়। কখন কী হয়, সেই আতঙ্কে থাকতে হয়।”পরিবারটির অভিযোগ, গত ১৬ মে দুপুরে মাকে দেখতে গিয়ে তারা হামলার শিকার হন। মারধরের ঘটনায় কয়েকজন আহত হন এবং ময়না খাতুনের গলায় থাকা প্রায় ১৪ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ও লকেট ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঘটনাস্থলে চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ঘটনার পর থেকে পরিবারটি আরও বেশি আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। বৃদ্ধা ঠেকারী খাতুন চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন, “আমার স্বামী নেই, সহায়-সম্বলও নেই। এই ভিটেটুকুই আমার সব। আমি কারও ক্ষতি করিনি। জীবনের শেষ বয়সে শুধু একটু শান্তিতে থাকতে চাই। কিন্তু আমাকে নানা ভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। আমি জানি না, আমার শেষ পরিণতি কী হবে। ”পরিবারটির আরও অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করে সামাজিক ও মানসিকভাবে চাপে রাখা হচ্ছে। এতে করে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃদ্ধা মায়ের নিরাপত্তা নিয়ে মেয়েরা উদ্বিগ্ন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। এলাকাবাসীর একাংশ মনে করেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আইনগতভাবে সমস্যার সমাধান করা জরুরি। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের বক্তব্য এই প্রতিবেদকের কাছে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছে, বৃদ্ধা ঠেকারী খাতুনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। জীবনের শেষ বয়সে এক বৃদ্ধা মায়ের আর্তনাদ এখন একটাই—“আমার ভিটেমাটি যেন না হারাই, বাকি জীবনটুকু যেন শান্তিতে কাটাতে পারি।” মানুষের পাশে থাকা এক তরুণ নেতৃত্বের স্বপ্ন: আলমডাঙ্গা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আবুল কালাম আজাদ বশিরুল আলম, আলমডাঙ্গা ব্যুরোঃ রাজনীতিকে তিনি কখনো ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে দেখেননি, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি দায়বদ্ধতার নাম হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূলের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে ওঠা সেই পরিচিত মুখ আবুল কালাম আজাদ এবার আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আলমডাঙ্গার রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচিত ও সক্রিয় এই তরুণ নেতা বর্তমানে জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। রাজনৈতিক জীবনের নানা ধাপ পেরিয়ে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন আলমডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুষ্টিয়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে। দীর্ঘদিনের এই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, সমস্যা ও সম্ভাবনার সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত করেছে। স্থানীয়দের মতে, আবুল কালাম আজাদ কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন; তিনি একজন সহজ-সরল, মানবিক ও জনমুখী মানুষ। বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা এবং জনকল্যাণে তার নিরলস প্রচেষ্টা ইতোমধ্যেই তাকে তৃণমূলের মানুষের হৃদয়ে একটি আলাদা অবস্থান এনে দিয়েছে। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, যুবসমাজের কর্মসংস্থান, শিক্ষার মানোন্নয়ন, ক্রীড়া চর্চার প্রসার এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তার বিশ্বাস, জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, উন্নত ও সম্ভাবনাময় আলমডাঙ্গা গড়ে তোলা সম্ভব। আবুল কালাম আজাদ আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমি আলমডাঙ্গা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের সেবা করতে চাই। রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সমর্থন পেলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব।” তিনি আরও বলেন, আলমডাঙ্গার প্রতিটি মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং উন্নয়নের স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন হিসেবে ধারণ করেই তিনি আগামী দিনের পথচলা অব্যাহত রাখতে চান। জনপ্রতিনিধি হওয়ার আকাঙ্ক্ষার পেছনে তার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নয়, বরং মানুষের জন্য কিছু করার অদম্য ইচ্ছাই সবচেয়ে বড় প্রেরণা বলে মনে করেন তিনি। সেই লক্ষ্য নিয়েই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলমডাঙ্গাবাসীর কাছে দোয়া, সহযোগিতা ও সর্বাত্মক সমর্থন কামনা করেছেন। আলমডাঙ্গার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্রত্যাশার আলো জাগিয়ে তোলা এই তরুণ নেতার ভবিষ্যৎ পথচলা এখন সময়ই বলে দেবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জনের যে দীর্ঘ পথ তিনি অতিক্রম করেছেন, সেটিই তার সবচেয়ে বড় শক্তি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ