বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
কুমারখালী সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী পরিত্যাক্ত ভবনটি এখন টি স্টল!
/ ৪৮৩ দেখা হয়েছে
বার : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ন

কাগজ প্রতিবেদক ॥ কুমারখালী সরকারী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভবনটি চা ওয়ালাদের দখলে চলে গেছে। সেখানে এখন ঘটের চা সিগারেট খাওয়ার উত্তম স্থানে পরিনত হয়েছে৷
কোন মানুষের এই ভবনটির প্রতি দয়া মায়া নাই? সবাই চেয়ে চেয়ে দেখছে। একটি শিক্ষা সভ্যতার ইতিহাস কিভাবে ধ্বংসের দাঁর প্রান্তে৷ স্থানীয়রা জানিয়েছেন, না কোন নেতা, প্রশাসন বা স্কুল কর্তৃপক্ষ এই ঐতিহাসিক স্কুলের ভবন রক্ষাতে কাজ করতে কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি।
জানা যায়, ১৯২৯ সালে বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতার বংশধরগন রেজিস্ট্রীকৃত দানপত্র দ্বারা বিদ্যালয়ের ভূমি দান করেছিলেন। এরপর নতুন টীনের আচ্ছাদনের আয়োজন করার সময় বাধা দিয়ে কুষ্টিয়া তদানীন্তন হৃদয়বান মহাকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট মিষ্টার পি,ডি, মার্টিন, আই, সি, এস মহোদয়ের উৎসাহে ও উপদেশে ভবনটি সম্পূর্ণ ইট দ্বারা বিনির্মাণ করা স্হির হয়েছিল। গৃহনির্মাণের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল তিন হাজার টাকা। তার এক তৃতীয়াংশ টাকা স্থানীয় জনগন এবং দুই তৃতীয়াংশ টাকা সরকারের দান করার কথা ছিল। কিন্ত সরকারের কাছে টাকা না থাকায় ভবনটি সেই সালে নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মহাকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট শ্রীযুক্ত হিরন্ময় বানার্জি আই,সি,এস মহোদয়ের প্রেরণায় ১৯৩৩ সালে নির্মান কাজ শুরু হয়েছিল। ১৯৩৪ সালে ২১ শে ডিসেম্বর তৎকালীন নদীয়া জেলা ম্যাজিষ্টেট শ্রীযুক্ত সত্যেন্দ্রমোহন বানার্জি আই, সি,এস মহোদয় কর্তৃক দ্বারোদঘাটন হয়েছিলেন। ভবনটি নির্মান কাজে ৩৭৫০ টাকা ১৫ পয়সা খরচ হয়েছিল। সে সময় এই ভবনটি নির্মান কল্পে কলিকাতা, নদীয়া, কুষ্টিয়া, কুমারখালী, কুমারখালী পৌরসভা দূর্গাপুর, তেবাড়িয়া, কুন্ডুপাড়া, এলঙ্গী, আগ্রাকুন্ডা, দয়রামপুর, আমলাবাড়ী, ওসমানপুর,সেনগ্রাম, সেরকান্দি, বাটিকামারা, পাবনা, টাঙ্গাইল, মোরাগাছা, ময়মনসিংহের অনেক ধনী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ১০০,৫০,২৫ টাকা দান করেছিলেন। এই ভবনটি নির্মানের ৭০ বৎসর পূর্বে অথ্যাৎ আজ থেকে ১৫৭ বৎসর পূর্বে ১৮৬৩ সালের ৬ই মে তৎকালীন নদীয়া জেলার এই জন বিরল কুমারখালীর নিভৃত প্রান্তে এই বালিকা বিদ্যালয় সংস্থাপন করেছিলেন মহাত্মা কৃষ্ণধন মজুমদার। তাঁর এই শুভ অনুষ্ঠানে অন্তরের সহিত সহানুভূতি ও সহয়তা করেছিলেন তাঁর জোষ্ঠ সহোদর রামধন মজুমদার ও বঙ্গ বিশ্রুত কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদার। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রথমত ছিল অবৈতনিক নিন্ম প্রাথমিক। তখন অবৈতনিক ভাবে শিক্ষকতা করিতেন ভারতীয় একনিষ্ঠ সাধক কাঙ্গাল হরিনাথ আর সূচীকার্য্য শিক্ষা দিতেন স্থানীয় জৈনক দর্জ্জি । তাদের বেতন বহন করতেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক কৃষ্ণধন মজুমদার। মূলত কৃষ্ণধন মজুমদার বিদ্যালয়ের প্রথম সম্পাদক ছিলেন। ১৯২৬ সালে এই নিন্ম প্রাথমিক বিদ্যালয় উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত হয়েছিল। পরবর্তীতে
বাংলাদেশ স্বাধীনের কিছু কাল পূর্বে বিদ্যালয়টি উচচ বিদ্যালয়ে রুপান্তরিত হয়। এভাবে ফেলে না রেখে ঐতিহ্যবাহী ভবনটি একটি সংরক্ষণশালা তৈরি করলে ভবনটির যথাযথ মর্যাদায় দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ