আলমডাঙ্গা ব্যুারো ॥ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়ার সবচেয়ে বড় পথ হলো মানবিকতা, আর সেই মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আলমডাঙ্গার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনের মেয়রপ্রার্থী হাসিবুল হক (লিপু)। ধর্মীয় মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনসেবার প্রত্যয়ে তিনি আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার কলেজপাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদের উন্নয়নে বিশেষ আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও মসজিদের সার্বিক উন্নয়নে সবসময় পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি। আজ বাদ আছর মসজিদ প্রাঙ্গণে এক হৃদ্যতাপূর্ণ, সৌহার্দ্যময় ও ধর্মীয় আবহে এই অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় মসজিদ প্রাঙ্গণে স্থানীয় মুসল্লি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে এক আন্তরিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বায়তুল আমান জামে মসজিদের সভাপতি হাজী জহুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক হাজী শামসুল হক, প্রবীণ চিকিৎসক ডা. গোলাম মোস্তফা, সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আমিরুল ইসলাম জয়, সরকারি হাইস্কুলের শিক্ষক সোহেল আহমেদ, তরুণ ব্যবসায়ী তিতাস আহমেদসহ এলাকার সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ, অসংখ্য মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা।মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও উপস্থিত মুসল্লিরা জানান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি হাসিবুল হক লিপুর আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ সত্যিই প্রশংসনীয়। তাঁর দেওয়া এই আর্থিক সহযোগিতা মসজিদের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও বেগবান করবে। তারা বলেন, সমাজের একজন দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।এ সময় এলাকাবাসী তাঁর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও তাঁর সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুদান প্রদান শেষে বক্তব্য দিতে গিয়ে মেয়রপ্রার্থী হাসিবুল হক (লিপু) আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “মসজিদ আল্লাহর ঘর। এই ঘরের উন্নয়ন করা আমাদের ঈমানি ও নৈতিক দায়িত্ব। আমি সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও কলেজপাড়াসহ পুরো আলমডাঙ্গা পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার পথচলার সবচেয়ে বড় শক্তি।”তাঁর এই বক্তব্যে উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, আর সেই জায়গা থেকেই হাসিবুল হক লিপু মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছেন। অনুষ্ঠান শেষে মসজিদের উন্নয়ন, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতার এক অনন্য আবহ।


