আলমডাঙ্গা ব্যুরো ॥ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ও আহতদের নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় জুয়েলারি ব্যবসায়ী ও জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান (৫২) নিহত হন। গুরুতর আহত হন ইউনিয়ন আমির হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান, যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) সকালে রাজধানীর অঁৎড়ৎধ ঐড়ংঢ়রঃধষ-এ চিকিৎসাধীন মফিজুর রহমানকে দেখতে যান জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আহতের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে তিনি আহতের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি, পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য ও পল্টন থানা আমির শাহীন আহমেদ খানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, জীবননগরে পূর্বশত্রুতার জেরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ইউনিয়ন আমির মফিজুর রহমানের ভাই হাফিজুর রহমান নিহত হন। এছাড়া হামলায় জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ রোববার দুপুরে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপর রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।


