বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
দীর্ঘদিন ধরে আলো নেই এনএস রোডে ক্ষোভে ফুঁসছে কুষ্টিয়া পৌরবাসী
/ ২৫ দেখা হয়েছে
বার : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ন

কাগজ প্রতিবেদক ॥ কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র নবাব সিরাজউদ্দৌলা রোড (এনএস রোড)। দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই সড়কের ডিভাইডারে বহুদিন ধরে নেই কোনো আলো। একসময় সারি সারি আলোয় ঝলমল করত পুরো এলাকা। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। আন্দোলনের সময় কিছু লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক লাইট ও খুঁটি চুরি হয়ে যায়। পরবর্তীতে অবশিষ্ট লাইট খুলে পৌরসভার স্টোরে রাখা হলেও নতুন করে আর স্থাপন করা হয়নি। ফলে রাত নামলেই এনএস রোড পরিণত হয় অন্ধকার ও ভুতুড়ে পরিবেশে। নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন, “এনএস রোডের লাইটগুলো খুবই প্রয়োজনীয় ছিল। এটি আলোর পাশাপাশি সৌন্দর্যও বাড়াত। দ্রুত মেরামতের দাবি জানাচ্ছি।” কাপড় ব্যবসায়ী সুভাষ পাল জানান, “আন্দোলনের সময় লাইট ভাঙা হয়েছে। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো সংস্কার হয়নি। নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে, তবুও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। লাইট মেরামত হলে পৌরবাসী ব্যাপক উপকৃত হবে।” ভ্যানচালক আমিন বলেন, “আলো না থাকায় নাগরিকদের চলাচলসহ নানা অসুবিধা হচ্ছে।” আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “দোকানপাট বন্ধ হলেই এনএস রোড অন্ধকারে ডুবে যায়। লাইট মেরামত খুবই জরুরি।” পরিতোষ বিশ্বাস ও রিয়াজুল ইসলামসহ অনেকে জানান, পৌর কর আদায়ে সময়মতো কাজ করলেও সেবা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এতে শহরের সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জামিউল ইসলাম বলেন, “জুলাই আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীরা কিছু লাইট ভেঙে ফেলেছিল। অকার্যকর লাইটগুলো স্টোরে সংরক্ষণ করা হয়েছে। আমরা লাইটের খুঁটির উচ্চতা বাড়িয়ে রাস্তার দুই পাশে আধুনিক লাইট স্থাপনের পরিকল্পনা করেছি। তবে অর্থের সংকট রয়েছে। প্রকল্প পাস হলে শিগগিরই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।” নাগরিকদের প্রশ্ন—কবে আলোকিত হবে কুষ্টিয়ার প্রাণকেন্দ্র এনএস রোড দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ