বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক সপাটে চড় মারলেন মমতা
/ ২৪ দেখা হয়েছে
বার : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ন

এনএনবি : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিল কালীঘাটের একটি ঘটনা। আদালতের অনুমতি নিয়ে বের হওয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে তৃণমূল নেত্রী ও রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক ব্যক্তিকে সপাটে চড় মারেন। ঘটনাটি ঘটেছে তার কালীঘাটের বাড়ির সামনে। সেই ঘটনার দৃশ্য ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। তবে তিনি কাকে চড় মেরেছেন, সেই পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। বারুইপুরে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যাকা-ের প্রতিবাদে কালীঘাট তৃণমূলের উদ্যোগে বুধবার একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করার কথা ছিল। মিছিল শুরু হওয়ার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীরা পথ আটকে বিক্ষোভ দেখায় এবং স্লোগান দিতে থাকে। পাল্টা স্লোগানে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই উত্তেজনার মধ্যেই কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি সড়কে নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি উপস্থিত কর্মী ও সমর্থকদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানান এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ভিড় ক্রমেই বাড়তে থাকে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, অনেকেই মুঠোফোনে ছবি ও দৃশ্য ধারণ করতে সামনে এগিয়ে আসছিলেন। সেই সময় হঠাৎই মমতা একজনকে সপাটে চড় মারেন। এরপর নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, আদালতের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও তাদের মিছিল আটকে দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, এটি ছিল পরিকল্পিত হামলা। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে এবং তার দলের কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ কার্যকর না হওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি আদালত অবমাননার মামলা করারও ঘোষণা দেন। মমতার আরও অভিযোগ, তার বাড়ির সামনেও বিরোধী দলের সমর্থকেরা জড়ো হয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেছেন। তিনি দাবি করেন, পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।
অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি মমতার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। দলের নেতা ও সংসদ সদস্য সুকান্ত মজুমদার বলেন, ক্ষমতা হারানোর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন বলেই এমন আচরণ করছেন। তিনি এই ঘটনাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও কড়া সমালোচনা করে বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে চলাফেরা ও কর্মসূচি পালন করতে পারে। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল এখন জনসমর্থন হারিয়ে রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে। তাই এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে নতুন বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে। এদিকে মিছিল ঘিরে সংঘর্ষের সময় কয়েকজনকে মারধরের অভিযোগও উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি দৃশ্যে একজন ব্যক্তিকে একটি গাড়ির ওপর ফেলে মারধর করতে দেখা যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া রাজনৈতিক সংঘাত এদিন কালীঘাটেও ছড়িয়ে পড়ে। মমতার চড় মারার ঘটনাটি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। একদিকে তৃণমূল অভিযোগ করছে, তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি বলছে, বিরোধীদের ওপর দোষ চাপিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে অনুষ্ঠিত মিছিল, সংঘর্ষ, মমতার চড় এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ