বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
ইরান চুক্তিতে সবহারা নেতানিয়াহু
/ ৩৩ দেখা হয়েছে
বার : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ন

এনএনবি : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণে তৈরি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে ইরান মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।  তবে ওয়াশিংটনকে নিজের ইচ্ছামতো পরিচালনা করার তার সেই দাপুটে রাজনৈতিক ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়েছে এই চুক্তি।  বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন-ইরান শান্তিচুক্তির ফলে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু।  নেতানিয়াহুর বিশ্বাস ছিল, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কার্যকর প্রভাব খাটিয়ে ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা করতে পারবেন। রিপাবলিকান পার্টির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি বারবার বলে এসেছেন, তেহরানকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে অব্যাহত সামরিক চাপ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।  মার্কিন কূটনীতিকরা তাকে ‘আমেরিকান হুইস্পারার’ বলেও অভিহিত করতেন। কারণ তিনি এমন একজন নেতা হিসাবে পরিচিত ছিলেন যিনি সরাসরি ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাব ফেলতে পারতেন।  অন্য কোনো ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মতো এতবার মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দেননি বা মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে এত দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব গড়ে তুলতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্রে তার অবস্থান ছিল দৃঢ়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক সমঝোতা সেই পুরোনো ধারণাকে উলটে দিয়েছে।  এখন আর নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের ইরাননীতি নির্ধারণ করছেন না, বরং তাকে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তই মেনে নিতে হচ্ছে। একপ্রকার তার ওপর জোর করেই চাপিয়েই দেওয়া হচ্ছে।  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি সমঝোতার পথে এগোচ্ছেন, যেখানে ইসরাইলের আপত্তিগুলোকে ক্রমশ বাধা হিসাবে দেখা হচ্ছে।  সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ডেনিস রস বলেন, দেশের ভেতরেও নেতানিয়াহু কঠিন অবস্থায় রয়েছেন। একদিকে ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ শেষ করতে চায়, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক সমর্থকরা, বিশেষ করে লেবানন ইস্যুতে, কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয়। ফলে তিনি এমন এক পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যেখানে সেনা প্রত্যাহার করলে রাজনৈতিক ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে এবং সামরিক অভিযান বাড়ালে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ