বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
কুমারখালী গড়াই নদীর উপর নির্মিত স্বপ্নের সেতু এখন অন্ধকারাচ্ছন্ন
/ ৬০ দেখা হয়েছে
বার : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ন

কাগজ প্রতিবেদক ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় গড়াই নদীর ওপর নির্মিত ৬৫০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতুটি এখন অযতœ ও অবহেলার প্রতীক হয়ে উঠেছে। প্রায় দেড় বছর ধরে সেতুর অধিকাংশ সড়কবাতি অকেজো থাকায় সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা ঘন অন্ধকারে ঢেকে যায়। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ, দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীদের। ৮৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি ২০২৩ সালের জুনে উদ্বোধনের পর কয়েক মাস সুন্দরভাবে আলোকিত ছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ায় বাতি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে কিছু বাতি মেরামত করা হলেও ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হয়ে যাওয়ায় সেতুটি সম্পূর্ণ অন্ধকারে ডুবে যায়। বর্তমানে ৩৬টি সড়কবাতির মধ্যে অধিকাংশই নষ্ট। স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদ শরীফ বলেন, “আলো না থাকায় প্রতিনিয়ত চুরি-ছিনতাই বেড়েছে। দ্রুত আলোর ব্যবস্থা করা জরুরী।” আরেক বাসিন্দা সবুজ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শত কোটি টাকার সেতুতে বাতি নেই—এটা কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা।” ভ্যানচালক রেজাউল ইসলাম জানান, লাইট না থাকায় চলাচলে চরম অসুবিধা হচ্ছে এবং প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটছে। দর্শনার্থী শিমুল ও পরিতোষ ঘোষ বলেন, অন্ধকার ও পুলিশি প্রহরার অভাবে রাতে সেতু এলাকায় আসা বন্ধ করে দিয়েছেন অনেকে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ঝালমুড়ি বিক্রেতা আলী হোসেন ও শরবত বিক্রেতা মনিরুল ইসলামের মতো ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা। কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম স্বীকার করেছেন যে, অন্ধকারের সুযোগে অপরাধ বাড়ছে। তবে তিনি বলেন, “পর্যাপ্ত আলো থাকলে অপরাধ অনেক কমে যাবে।” কুমারখালি উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক জানান, চুরি হওয়া তারের জন্য নতুন বরাদ্দ না থাকায় বাতি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, দ্রুত সব বাতি সংস্কার করে সেতুটিকে নিরাপদ ও আলোকিত করতে হবে। না হলে এই গর্বের সেতু একদিন বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ