এনএনবি : উন্নয়ন প্রকল্পে ‘ধীর’ গতির মধ্যে চলতি অর্থবছরের দশ মাস পার হলেও বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড়ে সুখবর মিলছে না। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে উন্নয়ন সহযোগীদের বিদেশি ঋণের অর্থ ছাড়ের পরিমাণ আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৮ শতাংশ কমেছে। এই সময়ে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী সংস্থাগুলো ঋণ এবং অনুদানের ৪২৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ছাড় করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৫১৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।
রোববার প্রকাশিত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে সরকারকে পুরনো ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে পরিশোধ করতে হয়েছে ৩৮০ কোটি ২৩ লাখ ডলার। আগের অর্থবছর একই সময় এর পরিমাণ ৩৫০ কোটি ৭১ লাখ ডলার ছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে গণআন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে অর্থনীতিতে শুরু হওয়া ‘অস্থিরতা’ না কাটায় গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে উন্নয়ন কার্যক্রমে খুব একটা গতি আসেনি। এ কারণে বিদেশি ঋণের অর্থছাড়েরও গতি কম। ইআরডির সবশেষ হালনাগাদ তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে বিদেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরিমাণও কমেছে। এ সময়ে প্রতিশ্রুতি মিলেছে ২৮০ কোটি ডলারের, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪২৫ কোটি ডলার। অর্থ্যাৎ ৩৪ শতাংশের বেশি কমেছে বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতির পরিমাণ। অর্থবছরের প্রথম নয় মাস শেষেও একই পরিমাণ প্রতিশ্রুতি পাওয়ার তথ্য ছিল। এর মানে, গত অর্থবছরের এপ্রিলে বড় ধরণের অর্থ ছাড়ের প্রতিশ্রুতি মিললেও চলতি অর্থবছরের এপ্রিলে কোনো প্রতিশ্রুতি মেলেনি।


