বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
টবে বরবটি চাষ।
/ ৫৮ দেখা হয়েছে
বার : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ন

কৃষি প্রতিবেদক ॥ টবে চাষ করা হয়েছে বরবটি। সম্প্রতি গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদে।টবে চাষ করা হয়েছে বরবটি। সম্প্রতি গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদে। বরবটি চাষের কথা ভাবতেই প্রথমে সামনে আসে জমি নির্ধারণ, মাচা তৈরি বা অন্যান্য প্রস্তুতির কথা। কিন্তু এখন ছোট ছোট টবেই চাষ করা যাবে বরবটি। সম্প্রতি এমনই এক বরবটির জাত উদ্ভাবন করেছে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, এই বরবটি চাষ হবে বাসার ছাদে, ছোট্ট টবে। বড় মাচার বদলে দরকার হবে একটি ছোট্ট কাঠি। ফল পাওয়া যাবে টানা ছয় মাস। নেই বাড়তি খরচ বা পরিচর্যার ঝামেলা। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় বীজ বোর্ড জাতটির প্রত্যয়ন দিয়েছে। সে অনুযায়ী এর নাম ‘বি ইউ ছাদ বরবটি–১’। জাতটি উদ্ভাবনে গবেষণা শুরু হয় ২০১৬ সালে। দীর্ঘ পাঁচ বছর প্রচেষ্টা শেষে এ বছর মার্চে প্রত্যয়নের জন্য আবেদন করলে স্বীকৃতি দেয় জাতীয় বীজ বোর্ড। গবেষণা কাজে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিকস অ্যান্ড প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের অধ্যাপক মেহফুজ হাসান। তাঁর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক আহসানুল হক, কারিগরি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়টির পিএইচডি ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা। বরবটিটি সম্পর্কে উপাচার্য গিয়াস উদ্দিন মিয়া বলেন, ‘কোনো প্রকার মাচা তৈরির ঝামেলা না থাকা বা ছোট্ট একটি টবে চাষ হওয়ায় এটি ছাদকৃষির জন্য খুবই উপযোগী। এটা যেকোনো বাসার ছাদে চাষ করে পরিবারে সবজির চাহিদা মেটানো সম্ভব।’ বরবটির বৈশিষ্ট্য: নতুন এ জাতের বরবটি দেখতে ফ্যাকাশে–সবুজ। গাছের দৈর্ঘ্য গড়ে ১৮-২০ ইঞ্চি। একেকটি গাছে বরবটি ধরে গড়ে ১৮ থেকে ২০টি। গবেষকদের মতে, দেশে প্রচলিত বরবটিগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম ছাদ বরবটি। একটি গাছ থেকেই ফলন পাওয়া যায় টানা ছয় মাস। এর মধ্যে প্রতিটি বরবটির আকার-আকৃতি, রং বা গুণ–মান অন্য যেকোনো বরবটির মতোই। বরং টবে চাষ হওয়ায় পরিবেশবান্ধব ও পোকামাকড়ের ঝামেলামুক্ত। বাংলাদেশে বরবটির আরও কিছু জাত রয়েছে। এর মধ্যে কেগরনাটকিই, লাল বেনী, তকি, ১০৭০, বনলতা, ঘৃতসুন্দরী, গ্রিন লং, গ্রিন ফলস এফ-১, সামুরাই এফ-১ উল্লেখযোগ্য। সবগুলো জাতই চাষ হয় ফসলি জমি বা খেতখামারে। এর মধ্যে শুধু ছাদকৃষির জন্য উদ্ভাবন করা হয়েছে ‘বি ইউ ছাদ বরবটি-১’। এর বাইরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বারি বরবটি–১ ও বারি বরবটি-২ নামের আরও দুটি জাত রয়েছে। ‘সাধারণত অনেকেই শখের বসে বাসার ছাদে সবজি চাষ করতে চান। কিন্তু জায়গার সংকীর্ণতা, মাচা তৈরি বা অন্যান্য ঝামেলার কথা চিন্তা করে তা আর পেরে ওঠেন না। আমরা সেই দিকটা মাথায় রেখেই গবেষণা শুরু করি। এটা কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই টবে চাষ করা যাবে। প্রতিটি বরবটি স্বাদে, গুণে–মানে অন্য সব বরবরটির মতোই। বরং এটা একবার লাগানোর পর টানা ছয় মাস ফলন হবে, যা অন্য কোনো জাতের বরবটিতে সম্ভব নয়।’ জানতে চাইলে বীজ বোর্ডের প্রধান বীজত্ববিদ মো. আকতার হোসেন বলেন, ‘বিভিন্ন সময় বরবটির আরও কিছু জাতের প্রত্যয়ন দেওয়া হলেও শুধু ছাদ বরবটির জাত হিসেবে এটাই প্রথম। যাচাই–বাছাই করেই জাতটিকে প্রত্যয়ন দেওয়া হয়েছে।’ চাষের পদ্ধতি: দরকার সর্বনিম্ন ১০ ইঞ্চি আকারের একটি টব। টবে যেকোনো ধরনের মাটি হলেই চলবে। তবে এটেল–দোআঁশ বা বেলে–দোআঁশ মাটি হলে ভালো। প্রতিটি টবে একটি বীজ বপণ করতে হবে। বপণের চার থেকে পাঁচ দিনের মাথায় চারা গজাবে। গাছটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠলে খুঁটি হিসেবে দিতে হবে একটি বাঁশের কাঠি। পরিচর্যার অংশ হিসেবে শুরুতে আধা মুঠো ইউরিয়া, টিএসটি বা পটাশ সার দিলেই চলবে। গাছে ফলন ধরবে ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে। একেকটি বরবটির দৈর্ঘ্য হবে গড়ে ১২ ইঞ্চি। গাছটি রাখতে হবে রোদে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ