কাগজ প্রতিবেদক ॥ কোরবানীর হাটে কুষ্টিয়ার গরুর বিশেষ চাহিদা রয়েছে। এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকা,চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরে গরু নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তবে দেশের বাইরে থেকে পশু আমদানি না করার দাবি খামারীদের। স্থানীয় প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে,কুষ্টিয়ার ৬ উপজেলায় বড়-ছোট মিলিয়ে প্রায় ১৯ হাজার গরুর খামার রয়েছে। দেশীয় গরুর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কুষ্টিয়ার ঘরে ঘরে ও খামারে ২ লক্ষাধিক গবাদি পশু মোটাতাজা করা হয়েছে। এর মধ্যে গরু ও মহিষ রয়েছে এক লাখ এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে এক লাখ। কিছুদিনের মধ্যে এসব পশু দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হবে। সদর উপজেলার হরিপুর এলাকার খামারি মোক্তার হোসেন বলেন,কুষ্টিয়ার দেশীয় গরুর চাহিদা রয়েছে ঢাকা-চট্রগ্রামের বাজারেও। পরিচর্যা করে কোরবানীর হাটে গরুগুলো তুলতে এখন চলছে শেষ মুহুর্তের ব্যস্ততা। তিনি জানান,গো-খাদ্যর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাড়তি দামে পশু বিক্রি করতে না পারলে লোকসান গুনতে হবে। পুঁজি হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় আরেকজন খামারি দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণেই কুষ্টিয়া এলাকার গরুগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়। ঈদে বাইরের গরু আমদানি না করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, লাভের আশায় এ অঞ্চলের মানুষরা গরু লালন-পালন করে থাকে। এরপরও অনেক সময় ন্যায্য দাম পাওয়া যায় না। এরপর দেশের বাইরে থেকে গরু আমদানি করলে খামারিরা লোকসানে পড়বে। সেই সাথে চোরাই পথে যেন দেশে গরু ঢুকতে না পারে সেদিকেও সরকারকে নজর রাখতে হবে। কুষ্টিয়া জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হাসান মন্ডল বলেন,কোন ক্ষতিকর ও ভেজাল খাদ্য ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে খামারিদের। আশাকরি খামারিরা পশুর ন্যায্য দাম পাবেন।


