দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের পরীক্ষায় ২০২৫ প্রশ্নপত্র, নাসির উদ্দীন বিশ^াস বালিকা বিদ্যালয়ের ১৭ জন মেয়ের ভাগ্যে কি হবে, এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬ শুরু হয়েছে, আল্লারদর্গা নাসির উদ্দিন বিশ্বাস বালিকা বিদ্যালয় এর ১৭ শিক্ষার্থী দৌলতপুর পাইলট মডেল হাইস্কুলে তাদের আসন পড়েছে। এই শিক্ষার্থীরা প্রায় দুই ঘন্টা পরীক্ষা দেয়ার পরে তাদের প্রশ্নপত্রে গরমিল থাকায় প্রশ্নপত্র নিরক্ষণ করে, দেখে এটা ২০২৫ সালের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। বিষয়টি শিক্ষকরা প্রথমে চেপে যাওয়ার চেষ্টা করে, এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি ম্যাজিস্ট্রেটের শরণাপন্ন হয়। প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে দেওয়া হয়, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে পারবে না বলে জানায় শিক্ষার্থীরা। তাদের সময় ৪৫ মিনিট বৃদ্ধি করা হবে বলে জানানো হলেও তা করা হয়নি। তাদের ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ৩০ মিনিট সময় তাদের জন্য যথেষ্ট ছিল না। তারা হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। তাদের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে গোজামিল দিয়ে এই শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পাঠানো হয়। অভিভাবকরা জানতে চাই, এ প্রশ্নপত্র আসলো কিভাবে? পরীক্ষার শুরুর দিকে ছাত্রীরা বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে প্রথমেই গুরুত্বের সাথে কেনো দেখা হলো না? কেন শিক্ষকরা বিষয়টি লুকাতে গিয়ে “তোমরাও বাঁচো, আমাদেরকেও বাঁচাও” এই কথা কেনো বললেন? এই ১৭ জন শিক্ষার্থী দায়ভার কি শিক্ষকরা নেবে? এই ভুলের দায়ভার কে নেবে ? অভিভাবকদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এ ব্যপারে কেন্দ্রের হল সুপার ইয়ার আলি বলেন, ভুল ক্রমে এটা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সময় বৃদ্ধি করে সহযোগীতা করা হয়েছে।


