বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই’র হাতে আটক ভারতীয় নারী, খাবার-পানি ছাড়া ২৪ ঘণ্টা
/ ১৪৮ দেখা হয়েছে
বার : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন

এনএনবি : ৩৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন তিনি। ইমিগ্রেশন কোর্টে দোভাষীর কাজ করে আসছেন। টেক্সাসের ইমিগ্রেশন কোর্টে পাঞ্জাবি, হিন্দি এবং ঊর্দু ভাষীদের কথা অনুবাদের প্রয়োজন পড়লেই তার ডাক পড়ে। ৫৩ বছরের সেই ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী মিনু বাত্রা বেআইনি তকমায় ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টদের হাতে হয়েছেন আটক। গত ১৭ মার্চ উইসকনসিনে ইমিগ্রেশন কোর্টের অ্যাসাইনমেন্টে যাওয়ার সময়ই টেক্সাসের হারলিনজেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয় মিনুকে। অভিযোগ, বেআইনিভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন তিনি। সেকারণে দেশ ছাড়তে হবে তাকে। মিনু জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাজের অনুমতিপত্র থাকার কথা বললেও আইসিই কর্মকর্তারা তা শোনেননি। মিনুকে আটকের পর থেকেই তার আইনি বৈধতা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। আটকাবস্থায় ২৫ ঘণ্টা খাবার পানি ছাড়া রাখার অভিযোগও উঠেছে। বর্তমানে মিনু রেমন্ডভিলের এল ভ্যালে ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি। কারাগার থেকে ‘দ্য গার্ডিয়ান’ পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিনু অভিযোগ করেন, তাকে আটক করাটা অদ্ভুত। তার সঙ্গে অপরাধীর মতো ব্যবহার করা হচ্ছে এবং তাকে বিতাড়িত করা হতে পারে বলে তিনি শঙ্কায় আছেন, যেখানে তিনি কখনও যাননি।
১৯৮৪-এর শিখ দাঙ্গায় বাবা–মা খুন হওয়ার পরে ছোটবেলায় ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন মিনু বাত্রা। নিজের যোগ্যতায় হিন্দি, পাঞ্জাবি এবং ঊর্দু ভাষার মাস্টার লেভেল কোর্ট–সার্টিফায়েড দোভাষী হন তিনি। ২০০৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে দোভাষীর পরিষেবা দিয়ে আসছেন তিনি। টেক্সাসে তার নিজস্ব একটি সংস্থাও রয়েছে। সিঙ্গল মাদার মিনুর চার সন্তানের সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তার ছোট ছেলে কয়েক মাস আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেআইনি অভিবাসীদের দেশ থেকে তাড়াতে উঠেপড়ে লেগেছেন। এক্ষেত্রে তার অস্ত্র আইসিই এজেন্টরা। মিনু বাত্রার মতো যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বাসিন্দাদের অনেককেই ‘বেআইনি’ তকমা দিয়ে আটক করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মিনুর ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নিরা টেক্সাসের ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে তাকে আটকের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করেছেন। তাদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় মীনুকে খাবার–পানি দেওয়া হয়নি। তার অসুস্থতা থাকার পরও তাকে ওষুধ দেওয়া হয়নি। মিনুর অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন তার আইনজীবীরা। মিনুকে আটক করা হল কেন?
সমস্যার সূত্রপাত মিনুর নামে জারি হওয়া ২০০০ সালের একটি রিমুভাল অর্ডার নিয়ে। ওইবছর যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট জানিয়েছিল, বেআইনি অভিবাসী হিসেবে মিনুকে প্রত্যর্পণ করা হতে পারে। আবার সেই বিচারকই মিনুকে ‘উইদহোল্ডিং অফ রিমুভাল’ স্টেটাস দেন। এটি রাজনৈতিক আশ্রয় থেকে আলাদা। এর অর্থ, ভারত মিনুর জন্য নিরাপদ নয় বলে তাকে ওই দেশে ফেরত পাঠাতে পারবে না মার্কিন প্রশাসন। উইদহোল্ডিং অফ রিমুভাল’ স্টেটাস এর কারণে মিনুর বিরুদ্ধে অভিবাসন মামলা পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত সরকার তাকে বিতাড়িত করতে পারবে না। ফলে এই স্টেটাস নিয়েই এত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন মিনু, চাকরিও করেছেন। কিন্তু এই স্টেটাসে যেহেতু তাকে প্রত্যর্পণের নির্দেশ খারিজ হয়নি, ফলে মিনুকে টেকনিক্যালি এখনও বিতাড়িত করা যায়। প্রাণের ঝুঁকি আছে বলে ভারতে তাকে পাঠানো যাবে না, তবে যুক্তরাষ্ট্র চাইলে অন্য কোনও দেশে তাকে পাঠাতেই পারে। আর সেটি নিয়েই এখন শঙ্কায় দিন কাটছে মিনুর। তৃতীয় কোন দেশে তাকে পাঠানো হতে পারে তা এখনও জানেন না মিনু। তার আইনজীবীরা বলছেন, ‘উইদহোল্ডিং অফ রিমুভাল’ স্টেটাস এর বৈধতা এখনও চার বছর আছে। তার আগে মিনুকে এ ভাবে আটক করা যায় না। তাছাড়া যে আইসিই এজেন্টরা মিনুকে তুলে নিয়ে গেছেন, তাদের কোনও ইউনিফর্ম বা ব্যাজ ছিল না। কিন্তু এসব যুক্তি ধোপে টিকবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ