এনএনবি : যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা বাহিনীর ছাড়পত্র ছাড়াই পিটার ম্যান্ডেলসন যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন বলে খবর দিয়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যম।
এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সংসদকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠেছে। কারণ, ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তিনি একাধিকবার বলেছেন যে, নিরাপত্তা বাহিনীর ছাড়পত্র নিয়েই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছিল। ছাড়পত্র ছাড়াই ম্যান্ডেলসনকে রাষ্ট্রদূত করে পাঠানোর খবরটি প্রথমে দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ওয়াশিংটনে যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পান ম্যান্ডেলন। জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে গত বছরের সেপ্টম্বরে তাকে বরখাস্ত করেন স্টারমার। এরমধ্যে নতুন করে তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা ছাড়পত্র ছাড়াই রাষ্ট্রদূত হওয়ার খবর এল। টনি ব্লেয়ারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ম্যান্ডেলসন ইরাক যুদ্ধের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কমিশনার হিসেবেও একসময় দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। গার্ডিয়ানের বরাতে ফিনান্সিয়াল টাইমস লিখেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তার বিষয়ে গোপনে অনুসন্ধান চালান ব্রিটিশ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সেই অনুসন্ধানে তিনি ছাড়পত্র পেতে ব্যর্থ হন। গার্ডিয়ান লিখেছে, ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার অধীনে কাজ করা ‘ইউকে সিকিউরিটি ভেটিং’ (ইউকেএসভি) বিভাগের সুপারিশ উপেক্ষা করে ম্যান্ডেলসনের নিয়োগ বহাল রাখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্টারমার এখন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন। কারণ তিনি আগে দাবি করেছিলেন যে, ‘ভেটিং’ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই ম্যান্ডেলসনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। গত সেপ্টেম্বরও তিনি তিনবার সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘যথাযথ প্রক্রিয়া’ অনুসরণ করেই ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।


