বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
প্রশ্নের মুখে মিরপুরের বৈশাখ আয়োজন: আগের জৌলুস কোথায় হারাল?
/ ৭১ দেখা হয়েছে
বার : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ন

মিরপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় এবারের পহেলা বৈশাখ উদযাপন ঘিরে দেখা দিয়েছে ব্যাপক সমালোচনা ও অসন্তোষ। যেখানে বিগত বছরগুলোতে জাঁকজমকপূর্ণ, প্রাণবন্ত ও অংশগ্রহণমূলক আয়োজনের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়েছে, সেখানে এবারের অনুষ্ঠান ছিল অনেকটাই অনাড়ম্বর, অগোছালো ও হতাশাজনক এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অনুষ্ঠানে আগত গণমাধ্যমকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোনো বসার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এতে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নিজেদের অবমূল্যায়িত মনে করেন। এমন পরিস্থিতিতে মিরপুরে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধারা অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে যান, যা পুরো আয়োজনকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছাড়া দলটির অন্য কোনো নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। একই সঙ্গে পহেলা বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী খাবার, পিঠা-পুলি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের তেমন কোনো আয়োজন ছিল না, যা উপস্থিত অনেকের মধ্যেই অসন্তোষের জন্ম দেয়। সচেতন মহলের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন যেখানে বিগত বছরগুলোতে ব্যাপক আয়োজন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, অতিথি আপ্যায়নসহ উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন হয়েছে, সেখানে এবারের এমন দুর্বল ও অসংগঠিত আয়োজন কেন?
এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নজরুল করিম বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমাদেরকে দাওয়াত করেছিলেন। আমরা র‌্যালীতে অংশ নিয়ে আলোচনা সভায় না বসে চলে আসি। দেখলাম মিরপুর প্রেসক্লাবের সদস্যরাও চলে যাচ্ছেন। তবে আগের বছরের তুলনায় এবারের আয়োজনে স্পষ্ট অসংগতি ছিল। মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মারফত আফ্রিদিও একই ধরনের মন্তব্য করেন। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, সরকারি নির্দেশনার বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি সরকারি নির্দেশনার বাইরে যাওয়ার সুযোগ না থাকে, তাহলে আগের বছরগুলোতে কীভাবে এত জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন সম্ভব হয়েছিল? এ বিষয়ে মিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আশরাফুজ্জামান শাহিন বলেন, আমাদের দলীয় নেতাকর্মীদের সবাইকেই দাওয়াত করা হয়েছিল। আমি উপস্থিত ছিলাম, তবে অন্যরা কেন আসেননি তা আমার জানা নেই। এদিকে কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকলেও শুরুতের্ যালিতে অংশ নিতে পারেননি। পরে অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে এসে তিনি বক্তব্য প্রদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সবমিলিয়ে, একটি সর্বজনীন ও ঐতিহ্যবাহী উৎসবের এমন অনাড়ম্বর আয়োজন স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন যেন আগের মতোই সুশৃঙ্খল, সমন্বিত ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় এটাই এখন এলাকাবাসীর প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ