বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
পাইলটকে উদ্ধারের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র ইউরেনিয়াম চুরি করতে এসেছিল: দাবি ইরানের
/ ৬২ দেখা হয়েছে
বার : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ন

এনএনবি : ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভূপাতিত এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে গত ৫ এপ্রিল এক দুঃসাহসিক অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি লিখেছে, তেহরানের হাতে মার্কিন এই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর দেশটিতে নিখোঁজ সেনার সন্ধানে চালানো এই মিশনটি আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে সাহসী ‘সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ’ অপারেশন হিসেবে গণ্য হচ্ছে। তবে এই অভিযানের সাফল্য নিয়ে ওয়াশিংটনের দাবির বিপরীতে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিযোগ তুলেছে তেহরান। শুরুতে উদ্ধার অভিযানটি ‘ব্যর্থ’ হয়েছে বলে দাবি করলেও সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই নতুন এক দাবি করেন ।
তার মতে, মার্কিন বাহিনীর এই অভিযান আদৌ পাইলট উদ্ধারের জন্য নাও হতে পারে বরং এটি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির জন্য একটি প্রতারণামূলক অভিযান হওয়ার সম্ভাবনা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।” অভিযানটি নিয়ে ‘অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা’ রয়েছে উল্লেখ করে বাঘাই বলেন, “কোগিলুয়ে ও বোয়ের-আহমাদ প্রদেশে যে এলাকায় মার্কিন পাইলট উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে, তা মধ্য ইরানে মার্কিন বাহিনীর অবতরণ স্থলের চেয়ে অনেক দূরে।” এই অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘বিপর্যয়’ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। ইরানের ইউরেনিয়াম কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ইরানের কাছে বর্তমানে ৪০০ থেকে ৪৫০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে খবর পাওয়া গেছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা সম্ভব। গত সপ্তাহে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করার জন্য ইরানে একটি স্থল অভিযানের কথা ভাবছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্পের চিন্তাভাবনার সঙ্গে পরিচিত একজন জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে তেহরানকে ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের জন্য চাপ দিতে ট্রাম্প তার উপদেষ্টাদের উৎসাহিত করেছেন। রাজনৈতিক মিত্রদের কাছে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরান এই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি উপযোগী উপাদান নিজেদের কাছে রাখতে পারবে না এবং আলোচনার টেবিলে তা হস্তান্তরে রাজি না হলে শক্তি প্রয়োগ করে তা কেড়ে নেওয়া হতে পারে। ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার আগে ধারণা করা হত যে, ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ৪০০ কেজির বেশি ইউরেনিয়াম এবং ২০০ কেজির মতো ২০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ জ্বালানি ছিল, যা সহজেই ৯০ শতাংশ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি উপযোগী ইউরেনিয়ামে রূপান্তর করা সম্ভব। মার্কিন হামলায় একটি পাহাড়ি স্থাপনা ‘বিধ্বস্ত’ হওয়ার পর অনেক ইউরেনিয়াম ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে বলে ট্রাম্প দাবি করলেও আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-র মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, এই সামগ্রীর বড় অংশ ইরানের ইস্পাহান ও নাতাঞ্জ পরমাণু কেন্দ্রে সংরক্ষিত আছে। কীভাবে পরিচালিত হয়েছিল উদ্ধার অভিযান?
গত ৩ এপ্রিল দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত হয়। বিমানের পাইলটকে দ্রুত উদ্ধার করা গেলেও ‘উইপনস সিস্টেম অফিসার’-এর সন্ধানে দুই দিন ধরে তল্লাশি চলে। ইস্পাহান প্রদেশের দক্ষিণে পরিচালিত এই উদ্ধার অভিযানে প্রায় ৫০ কোটি ডলার ব্যয় করে যুক্তরাষ্ট্র।
এই অভিযানে এ-১০ থান্ডারবোল্ট যুদ্ধবিমান, এমসি-১৩০জে কমান্ডো বিমান, ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার এবং এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনসহ বিশাল সামরিক বহর মোতায়েন করা হয়, যার অনেকগুলোই অভিযানের সময় ধ্বংস করা হয়েছে। সি-১৩০ হারকিউলিস এবং এইচ-৬০ হেলিকপ্টারে করে অভিজাত সেনাদের ইরানি আকাশসীমায় নিয়ে যাওয়া হয়। অন্ধকার রাতে মাটিতে নামার পর বোমাবর্ষণ ও কভার ফায়ারের মাধ্যমে ইরানি বাহিনীকে দূরে সরিয়ে রেখে বিমানের আহত পাইলটকে উদ্ধার করা হয়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া বিমানসেনা আহত হলেও তিনি এখন শঙ্কামুক্ত।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ