বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় পাওয়া ইরানি ফুটবলার মত পরিবর্তন করে ইরানে ফিরছেন
/ ৭০ দেখা হয়েছে
বার : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ২:০৯ অপরাহ্ন

এনএনবি : অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ের সিদ্ধান্ত পাল্টে ইরানে ফিরছেন এক নারী ফুটবলার। দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি মন পরিবর্তন করেন বলে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। তবে এই সদস্য কে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বুধবার পার্লামেন্টেকে বার্ক বলেন, “তার (নারী ফুটবলার) দলের সদস্যরা তাকে পরামর্শ দিয়েছে এবং ইরানি দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলতে উৎসাহিত করেছে। “এর মানে ইরানি দূতাবাস নারী ফুটবলার দলটির অবস্থান জেনে গিয়েছিল।” তবে দলটির বাকি সদস্যদেরকে একটি সেফ হাউজ থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। বার্ক জানান, “গতরাতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া দুইজনের একজন মন পরিবর্তন করেছেন।” এই দুইজনের একজন খেলোয়াড় আরেকজন সাপোর্ট স্টাফের সদস্য। তাদের সঙ্গে এর আগে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকার কারণে আরও পাঁচ খেলোয়াড়কে অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। বার্ক বলেন, “অস্ট্রেলিয়ায় মানুষের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের অধিকার রয়েছে। আমরা তার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটকে সম্মান জানাই। “তবে দুর্ভাগ্যবশত, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় দলের খেলোয়াড় ও কোচ তাকে ইরানি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে পরামর্শ দিয়েছিলেন।”
“এর ফলে ইরানি দূতাবাস অন্যান্য ইরানিদের অবস্থান জেনে যায় যারা অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আমি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি এবং দ্রুতই সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, কর্মকর্তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, ইরানে ফিরে যাওয়া ওই নারী ফুটবলারের একান্তই নিজস্ব সিদ্ধান্ত ছিল এবং তাকে সম্ভাব্য সকল প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা হয়েছে। গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ায় দলের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এর প্রেক্ষিতে প্রতিনিধিদলের কিছু সদস্যকে অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। পরে গোল্ড কোস্টের হোটেল থেকে মোহদ্দেসে জোলফি এবং সাপোর্ট স্টাফ জহরা সুলতান মেশকেহ কার দল থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
বার্ক এর আগে জানিয়েছিলেন, তাদের ব্রিসবেনে পুলিশের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যারা থেকে গেছেন তাদের দ্রুততম সময়ে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার রাতে সিডনি বিমানবন্দর ত্যাগের আগে দলের বাকি প্রায় সব সদস্যকেই থাকার প্রস্তাব পুনরায় দেওয়া হয়েছিল। বার্ক জানান, সেখানে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করে নিশ্চিত করা হয়েছিল যেন খেলোয়াড়রা তাদের সঙ্গে থাকা সরকারি তদারককারীদের প্রভাবমুক্ত থেকে কর্মকর্তাদের সঙ্গে একা কথা বলতে পারেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পান। তাদের মধ্যে কেউ নতুন করে থাকার প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। তবে একজন খেলোয়াড় পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলার পর বেশ দেরিতে বিমানে ওঠেন। বার্কের ভাষ্যমতে, “ওই খেলোয়াড় তার নিজস্ব সিদ্ধান্তই নিয়েছেন, তাকে বিমানে উঠতে কোনও চাপ দেওয়া হয়নি।” দলের সঙ্গে আসা কয়েকজনকে অস্ট্রেলিয়ায় থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়নি, যারা মূলত ইরান সরকারের তদারককারী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বার্ক মন্তব্য করেন, “এমন কিছু মানুষ অস্ট্রেলিয়া ত্যাগ করছে যাদের এখানে না থাকাটাই আমি শ্রেয় মনে করি।”
টুর্নামেন্ট চলাকালীন গোল্ড কোস্টে অবস্থানকালে ইরানি প্রবাসীরা দলের সমর্থনে এবং তাদের ইরানে ফেরত পাঠানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অন্তত একজন যাত্রী মালয়েশিয়াগামী কানেক্টিং ফ্লাইটে উঠতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তবে চ্যাপেরন বা তদারককারীদের সঙ্গে থাকা কিছু খেলোয়াড় সাংবাদিকদের জানান যে, তারা ইরানেই ফিরে যেতে চান। অস্ট্রেলিয়ার মানবিক ভিসা কর্মসূচির আওতায় শরণার্থীরা স্থায়ীভাবে সুরক্ষা পায়। জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়ার ফলে ইরানে ফিরে গিয়ে তাদের কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে তা এখনও অস্পষ্ট।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের একজন কট্টরপন্থি ধারাভাষ্যকার তাদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও এ বিষয়ে সরব হয়েছিলেন। তিনি তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, “আপনারা না দিলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গ্রহণ করবে।” পরে তিনি জানান যে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং পাঁচজনের বিষয়টির সুরাহা হয়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন গত বছরের শেষ দিক থেকে ইরানসহ বেশ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা বন্ধ রেখেছে। গত বছরও দুই দফায় বেশ কিছু ইরানিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল, যার মধ্যে এলজিবিটি সম্প্রদায়ের সদস্যরাও ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “অস্ট্রেলীয়রা এই সাহসী নারীদের দুর্দশায় ব্যথিত। তারা এখানে নিরাপদ এবং তাদের এখানে নিজেদের ঘরের মতোই অনুভব করা উচিত।”

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ