বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
অর্থ পাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত ঃ প্রধানমন্ত্রী
/ ৮৯ দেখা হয়েছে
বার : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ন

ঢাকা অফিস ॥ সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত সরকারের আমলে অর্থ পাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকারকে এখন ‘ভয়াবহ’ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন সভা কক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরকারপ্রধান বৈঠক করছিলেন বলে জানিয়েছেন তার উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদৌলা (সুজন মাহমুদ)।
তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন। তিনি অধীর আগ্রহে তাদের বক্তব্য শুনেছেন।
“ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ অংশ হিসেবে অভিহিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি এবং তার সরকার এমন একটা দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি। কাউকে আলাদা মনে করেন না।”
বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সমতলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দের পরিবর্তে গোত্র ভিত্তিক পরিচয় প্রদান, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ বনাঞ্চল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসতি উচ্ছেদ বন্ধ করা এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ঋণ সুবিধা প্রদানের দাবি উপস্থাপন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আমাদেরকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান, দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধবংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো তাহলে আপনাদের(ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি) অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত।
“আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।”
সরকারপ্রধান বলেছেন, “এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আপনাদের দেখতে হবে আমরা বেটার কোথায় থাকব।”
দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, “দেশে এত এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে এখনো বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছর তো এগুলো অ্যাড্রেস হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো যদি অ্যাড্রেস করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।
“আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপটা এসেছে আমাদের সরকারের ওপরে। এই সরকারের ওপরে জনগনের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।”
দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার’ ধবংস করে দিয়েছে, এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে তুলে ধরেছেন বলে জানান উপ প্রেস সচিব।
তারেক রহমান বলেছেন, “ওরা একটা জেনারেশকে ধবংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ বেডের হাসপাতাল স্থাপিত হয়েছে।
“তারপর আমাদের সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে ততবারই সেটার উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটা ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১০১ বেডে উন্নীত করার। ”
তিনি বলেন, আগের সরকার ইউনিয়ন ভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল, কিন্তু সেগুলোর কোন কার্যক্রম নেই।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিসহ কিডনি ডায়োলাইসিস ও হার্টের রিং প্রভৃতি জরুরি মেডিকেল যন্ত্রাংশের ওপরে আরোপিত কর হ্রাস করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রং।
সেখানে ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ