বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
কুষ্টিয়া কুমারখালী পান্টি সড়ক খানাখন্দে ভরা ভোগান্তি বাড়িয়েছে বৃষ্টি
/ ৭১ দেখা হয়েছে
বার : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ন

 

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী শহর থেকে পান্টি বাজার পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক। সড়কটি যেন আর সড়ক নেই। অসংখ্য ছোট বড় খানাখন্দে ভরা। বৃষ্টির পানি জমে সেখানে আরও দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। তবুও নিত্য প্রয়োজন মেটাতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে মানুষ। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার যদুবয়রা, পান্টি, চাঁদপুর ও বাগুলাট ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা ও এলজিইডির কর্মকর্তার অভিযোগ, ২০২১ সালে সড়কটি পুনঃসংস্কার করে এলজিইডি। তবে ১০ টন ধারণ ক্ষমতার এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই শতশত ২৫ থেকে ৩০ টন ওজনের বালুবাহী ড্রাম ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচল করে। ফলে সংস্কারের মাত্র চার বছরের মাথায় বেহালদশায় পরিণিত হয়েছে সড়কটি। এলাকাবাসী জানায়, কুমারখালীর দক্ষিণ অঞ্চলের চারটি ইউনিয়নবাসীর উপজেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সড়ক এটি। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই নানা বয়সি দুই থেকে তিন লাখ মানুষ চলাচল করে। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার একাংশের মানুষ চলাচল করে এই সড়ক দিয়ে। কিন্তু অবৈধভাবে অতিরিক্ত বালুবাহী ১০ চাকার ট্রাক ও ভারী যানবহন চলাচলের কারণে সংস্কারের পর দ্রুতই ভেঙে গেছে সড়কটি। ভাঙা সড়কে চলতে ঘটছে ছোট বড় অসংখ্য সড়ক দুর্ঘটনা। দ্রুত ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের পাশাপাশি সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তারা। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সড়ককের যদুবয়রা জয়বাংলা বাজার মোড় যদুবয়া পশুহাটের সামনে, জোতমোড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে বড় আকারের গর্ত। সেখানে পানি জমে পুকুরে রূপ নিয়েছে। এছাড়াও সড়ক জুড়ে ছোট বড় অসংখ্য খানাখন্দ। চলাচল করছে বালুবাহী ১০ চাকার ট্রাক ও ড্রাম ট্রাক। ঝুঁকি নিয়ে আকাঁবাঁকা সাপের মতো চলাচল করছে ছোট যানবাহনগুলো। এ সময় জোতমোড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহমুদ শরীফ আক্ষেপ করে বলেন, অনেকদিন হলো বিদ্যালয়ের সামনে বড় গর্ত। বৃষ্টি হলেই পানি জমে পুকুর হয়ে যায়। প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের পোশাক ভিজে যায়। চরম ভোগান্তি হলেও সংস্কার করার কেউ নেই। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অহনা খাতুন বলেন, ট্রাক যাওয়ার সময় গর্তের কাঁদা পানি ছিটে পোশাক-বই খাতা ভিজে যায়। দুর্ঘটনা ঘটে। এসব বালুর গাড়ি বন্ধ হলে নিরাপদে স্কুলে চলাফেরা যেত। ভ্যানচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, রাস্তার সব জায়গা ভাঙা। ২০ মিনিটের পথ যেতে ৪০ মিনিট লাগে। গর্তে চাকা পড়ে ভ্যান-ম্যান, টায়ার টিউব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যদুবয়রা গ্রামের ভ্যানচালক মনিরুল ইসলাম বলেন, সারা রাস্তায় ভাঙা, ছোট বড় অনেক গর্ত। বৃষ্টি হলেই কাঁদা – পানির পুকুর হয়ে যাচ্ছে। প্রায় গাড়িঘোড়া উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। তাঁর ভাষ্য, রাস্তা হিসেবে ( ছোট রাস্তা) অতিরিক্ত বালুর গাড়ি যাচ্ছে। যেকারণে আরও বেশি ভাঙে যাচ্ছে রাস্তাটি। স্থানীয় বাসিন্দা জোয়াদ আলী বলেন, বালু বোঝায় বড় বড় ট্রাক চলাচলের কারণে দ্রুত সড়কটি নষ্ট হয়েছে। এখন চলাচল করায় দাঁয়। মানুষ খুব কষ্ট ও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। দ্রুত বালুর গাড়ি বন্ধ করে সড়ক সংস্কারের দাবি তার। যদুবয়রা জয়বাংলা বাজার কমিটির আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি। প্রতিদিনই চার-পাঁচ ইউনিয়নের দুই-তিন লাখ মানুষ চলাচল করে। কিন্তু সড়কের বেশকিছু স্থানে পুকুরের মতো বড় বড় গর্ত। প্রায় দুর্ঘটনা ঘটছে। মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তার। ১০ টন ধারণ ক্ষমতার গ্রামীণ সড়কে ২৫-৩০ টন ওজনের যানবাহন চলাচলের কারণে সংস্কারের মাত্র চার বছরের মাথায় আবারও সড়কটি ভেঙে পড়ছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. নাজমুল হক। তিনি বলেন, অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের জন্যে প্রশাসনকে বলা হবে। তার ভাষ্য, আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ পেলে সড়কটি সংস্কার করা হবে। সড়কে অতিরিক্ত বোঝায় যানবাহন চলার বিষয়টি জানা নেই বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ