বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
বৃষ্টি ও বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৫১, পানিবন্দি পৌনে ৩ লাখ পরিবার
/ ৯২ দেখা হয়েছে
বার : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ন

ঢাকা অফিস ॥ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি, ঢল, বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারে। বন্যাকবলিত সাত জেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মোট মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জনে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের রোববার দুপুরের সবশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশের সাতটি জেলার (চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ) ৫৮টি উপজেলা বন্যা ও জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন ও পৌরসভার সংখ্যা যথাক্রমে ৩৮৬টি ও ১১টি। বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড় ধসে গত কয়েকদিনে যত মৃত্যু হয়েছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারে। সেখানে পাহাড় ধস ও বন্যাজনিত কারণে মোট ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। আহত হয়েছে আরও ২৪ জন, যাদের মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় এবং ৫ জন রোহিঙ্গা। এছাড়া এই জেলায় ১ জন এখনও নিখোঁজ। কক্সবাজারে বর্তমানে ১০টি উপজেলার ৭০টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভা বন্যাকবলিত; যেখানে পানিবন্দি ৩৯ হাজার ৫০৬টি পরিবারের ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন মানুষ চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। আহত হয়েছেন ১২ জন। সেখানকার ১৬টি উপজেলা এবং মহানগরীর আংশিক এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম জেলায় সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৯৫ হাজারে। চট্টগ্রামে দুর্গতদের জন্য ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে ২১ হাজার ৯০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। পার্বত্য জেলা বান্দরবান ও রাঙামাটিতেও প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বান্দরবানে বন্যা ও পাহাড় ধসে ৬ জন নিহত এবং ২ জন আহত হয়েছে। জেলার সাত উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় ১২ হাজার ৫০০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৩৫০ জন মানুষ। রাঙামাটি জেলায় প্রাণহানি ঘটেছে ৩ জনের। জেলার ৯টি উপজেলার ৪৩টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় ৩ হাজার ৫২৪ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তবে খাগড়াছড়ির ৯টি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলেও সেখানে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। মৌলভীবাজারের ৫টি উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২৬ হাজার ৫৪৪ জন; মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। হবিগঞ্জের ৩টি উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ৬ হাজার ৪৪৫টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে, তবে জেলাটিতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য ইতোমধ্যে সরকারিভাবে ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন। বন্যা উপদ্রুত এলাকাগুলোর জন্য অর্থ বরাদ্দ ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শুরু করেছে সরকার। গত ৭ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় সাধারণ ও বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং ৮ হাজার ৯৫০ টন চাল ছাড় করা হয়েছে। এর মধ্যে বন্যাকবলিত সাত জেলার জন্য ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ২৫০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জেলাওয়ারী ত্রাণ বরাদ্দের তথ্যে দেখা গেছে, চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ৬৫ লাখ টাকা এবং ১২০০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাঙামাটিতে ২৫ লাখ টাকা ও ৫০০ টন চাল, কক্সবাজারে ৩০ লাখ টাকা ও ৪৫০ টন চাল, খাগড়াছড়িতে ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ টন চাল, বান্দরবানে ২০ লাখ টাকা ও ৪০০ টন চাল, মৌলভীবাজারে ১০ লাখ টাকা ও ২০০ টন চাল এবং হবিগঞ্জে ৫ লাখ টাকা ও ১০০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যার্তদের মধ্যে শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য এবং রান্না করা খাবার বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ