কাগজ প্রতিবেদক ॥ নিজের বিভাগের কর্মচারীর হাতে নির্মম ভাবে প্রাণ হারিয়েছেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা। তার অপরাধ তিনি ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের একটি বিভাগের প্রধান। তার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা যাই থাক, তা মেনে নিতে পারেনি প্রতিপক্ষ। কিন্তু সরাসরি না, অন্তরালে চলেছে ষড়যন্ত্র। অবশেষে ডে লেবারকে ব্যবহার করা হয়েছে ঘাতক হিসেবে। মা হারা হলো সাদিয়ার ৯ বছরের তাইয়াবা, ৭ বছরের তাবাসসুম, সাড়ে ৩ বছরের ছেলে সাজিদ আবরার আর কোলের মেয়ে মাত্র ১৮ মাসের মেয়ে আয়শা। পিতাই এখন মা পিতাই এখন পিতা। তাইয়াবা যেমন তেমন তাবাসসুম, সাজিদ আবরার ও আয়শার পরিবারের সকলের দিকে চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কোন শব্দ নেই। বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-ছাত্রীরা জানিয়েছে, সহকর্মিদের বিরতিহীন ষড়যন্ত তাকে কাহিল করে ফেলেছিল। ঘাতকের ছুরির আঘাতে নিজ বিভাগের চেয়ারেই প্রাণ হারাতে হলো। মা হারা হলো ছোট্র ছোট্র চারটি শিশু। তাইয়াবা-তাবাসসুম-আবরার আর আয়শার আপন মা বলতে কেউ রইলো না। ‘ মা’ যেন ওদের কাছে স্বপ্নে, বাস্তবে নয়,। এই নির্মম হত্যাকান্ডের বিচার দাবী করেছে বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে কুষ্টিয়ার সর্বস্তরের মানুষ।
।


