বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
তাইয়াবা-তাবাসসুম-আবরার আর আয়শার কাছে ‘ মা’ এখন স্বপ্নে, বাস্তবে নয়
/ ১১৭ দেখা হয়েছে
বার : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ন

কাগজ প্রতিবেদক ॥ নিজের বিভাগের কর্মচারীর হাতে নির্মম ভাবে প্রাণ হারিয়েছেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা। তার অপরাধ তিনি ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের একটি বিভাগের প্রধান। তার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা যাই থাক, তা মেনে নিতে পারেনি প্রতিপক্ষ। কিন্তু সরাসরি না, অন্তরালে চলেছে ষড়যন্ত্র। অবশেষে ডে লেবারকে ব্যবহার করা হয়েছে ঘাতক হিসেবে। মা হারা হলো সাদিয়ার ৯ বছরের তাইয়াবা, ৭ বছরের তাবাসসুম, সাড়ে ৩ বছরের ছেলে সাজিদ আবরার আর কোলের মেয়ে মাত্র ১৮ মাসের মেয়ে আয়শা। পিতাই এখন মা পিতাই এখন পিতা। তাইয়াবা যেমন তেমন তাবাসসুম, সাজিদ আবরার ও আয়শার পরিবারের সকলের দিকে চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কোন শব্দ নেই। বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-ছাত্রীরা জানিয়েছে, সহকর্মিদের বিরতিহীন ষড়যন্ত তাকে কাহিল করে ফেলেছিল। ঘাতকের ছুরির আঘাতে নিজ বিভাগের চেয়ারেই প্রাণ হারাতে হলো। মা হারা হলো ছোট্র ছোট্র চারটি শিশু। তাইয়াবা-তাবাসসুম-আবরার আর আয়শার আপন মা বলতে কেউ রইলো না। ‘ মা’ যেন ওদের কাছে স্বপ্নে, বাস্তবে নয়,। এই নির্মম হত্যাকান্ডের বিচার দাবী করেছে বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে কুষ্টিয়ার সর্বস্তরের মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ