বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
পটল চাষ পদ্ধতি
/ ৪৪ দেখা হয়েছে
বার : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ন

কৃষি প্রতিবেদক ॥ পটল সারা বছর চাষ করা যায়। তীব্র শীত ব্যতীত। শীতের মাঝে ও চাষ হয় তবে খেতে ভাল লাগেনা আবার ভাল দাম ও পাওয়া যায়না। পটল দুই ভাবে চাষ করা যায় (ক) মাচায় (খ) মাটিতে পটল চারা ১ বার রোপন করলে ৩/৪ বছর ফলন পাওয়া যায়। কিছু ক্ষেত্রে ৫/৭ বছর। পটল তিন টা পদ্ধতিতে রোপন করা যায় ১ বীজ থেকে ২ কন্দ থেকে ৩ লতি থেকে। বীজ থেকে করলে পুরুষ গাছের সংখ্যা অনেক বেশি হয়। লতি/কন্দ থেকে করাই উত্তম।পটল ফাল্গুন/ চৈত্র থেকে সংগ্রহ করা যায় চলে একটানা অগ্রহায়ণ মাসের শেষ পর্যন্ত।পটল গাছ বৃষ্টি সহ্য করতে পারে। তবে পানি আটকে থাকা যাবে না।পটলের ফলন খুবই ভাল। ১ বিঘা জমি থেকে সপ্তাহে ৫/১২ মণ পটল সংগ্রহ করা সম্ভব।পটল শুরুতে অর্থাৎ ফাল্গুন থেকে বৈশাখ এবং ভাদ্র,আশ্বিন মাসে বাজার দর খুবই ভাল থাকে। শেষ কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বললাম।পটলের রোগ ব্যাধি খুবই কম। সামান্য ছত্রাক আক্রমণ করে এক্ষেত্রে আমি ক্যাবরিওটব ব্যবহারে ভাল রের্জল্ট পেয়েছি। আপনি চাইলে অন্য ছত্রাক নাশক ব্যবহার করতে পারেন,৷ তবে মাঝে মধ্য গোড়া পচা ও ফল পচা রোগ দেখা যায়, রোগের আক্রমণ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম কমপ্যানিয়ন বা ১ গ্রাম কার্বোন্ডজিম ও ২ গ্রাম ম্যানকোজেব + মেটালোক্সিল একত্রে মিশিয়ে ১০-১২ দিন অন্তর স্প্রে করা। পোকার আক্রমণ এর জন্য ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কিটনাশক সপ্তাহে ১ বার দিলেই ভালো কাজ হবে আশা করি।পটলের ভাল ফলন পেতে চাইলে অবশ্য ই সপ্তাহে ১ দিন নিচের লতি কাটতেই হবে। পাশাপাশি মাটি খুব বেশি শুখিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। মাচায় পটল চাষ করার ক্ষেত্রে মাচার নিচে পটল না রাখায় ভাল।পটল গাছে বয়স্ক পাতা ছিড়ে ফেলতে হবে। তাহলে নতুন কুশি বের হবে এবং ফলন বৃদ্ধি পাবে। রোপনকালঃ সারাবছর ই রোপন করা যায়। তবে আমার পরামর্শ হল ভাদ্র মাসে রোপন করাই ভাল৷ এসময় রোপন করে কার্তিক মাসের ১৫ দিনে একবার কেটে দিতে হবে তারপর আর কাটার দরকার নাই। ফাল্গুন মাসের শুরুতে মাচা দিয়ে দিলেই এক মাসেই পটল ধরবে ইনশাল্লাহ ৷ সার প্রয়োগ: মাদাপ্রতি ১ কেজি গোবর সার, ১০০ গ্রাম টিএসপি, ৫০গ্রাম এমওপি, ৫০ গ্রাম ডিএপি, ২০ গ্রাম বোরণ সার এবং ৫০গ্রাম জিপসাম সার রোপণের সময় প্রয়োগ করতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ