বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
রপ্তানি আয়ের প্রণোদনা উৎসে কর কমলেও সাড়ে ২৭ শতাংশ করের ঝুঁকির মুখে রপ্তানিকারকরা
/ ৫০ দেখা হয়েছে
বার : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ন

এনএনবি : দেশের রপ্তানি আয় বাড়ানোর জন্য এর বিপরীতে সরকার যে প্রণোদনা দিয়ে থাকে তাতে উৎসে কর কমানো হলেও এখন সাড়ে ২৭ শতাংশ করের ঝুঁকির মুখে পড়েছেন রপ্তানিকারকরা। নতুন অর্থবছরের বাজেটে আয়কর আইনে ন্যূনতম করের বিধান থেকে বেরিয়ে আসার প্রস্তাব আসায় এ ধরনের করের বোঝা চাপার ঝুঁকিতে পড়েছেন তারা। গেল ১১ জুন জাতীয় সংসদে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থবিল ২০২৬-এ আয়কর আইনের ১৬৩ ধারায় সংশোধনী আনার প্রস্তাব করা হয়েছে, এটি গৃহীত হলে ন্যূনতম করের ধারাটি উঠে যাবে। এর ফলে সঞ্চয়পত্র থেকে শুরু করে রপ্তানি পণ্যের প্রণোদনা পর্যন্ত সব আয়ই, মোট আয় হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয় ও প্রথম করের ধাপ ১০ শতাংশ হওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষ কিছুটা সুফল পাবেন, কিন্তু রপ্তানি প্রণোদনায় এমন কোনো করহার বা ধাপ না থাকায় পুরো আয়ের ওপরই রপ্তানিকারককে সাড়ে ২৭ শতাংশ কর দিতে হবে।
বর্তমানে রপ্তানি খাতের প্রণোদনায় উৎসে কর একজন করদাতার ন্যূনতম কর হিসেবে চূড়ান্ত কর বা করদায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আইন অনুযায়ী, রপ্তানি প্রণোদনার বিপরীতে ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে রাখার বিধান রয়েছে; এটি কাটার পর করদাতাকে এর জন্য আর কর দিতে হতো না। এটিই আইনের ভাষায় ন্যূনতম কর হিসেবে চূড়ান্ত কর বা করদায়। আগামী করবর্ষের জন্য উৎসে কর নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ শতাংশ। অর্ধেক কমে যাওয়ার বিষয়টি দৃশ্যমান হলেও আয়করের নতুন বিধান অনুযায়ী উৎসে কর অগ্রিম আয়কর হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ রপ্তানিকারকের প্রণোদনা আয়ের ওপর যে পরিমাণ কর প্রযোজ্য তার থেকে ৫ শতাংশ বাদ দেওয়ার পরে বাকি কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে যাচ্ছে। আয়কর আইন অনুযায়ী, এটি রপ্তানি আয় নয় বরং রপ্তানির জন্য প্রাপ্ত প্রণোদনা থেকে আসা আয়; যেখানে সাধারণ আয়ের হিসাবে সাড়ে ২৭ শতাংশ করপোরেট করহার প্রযোজ্য হয়ে থাকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বর্তমানে একজন রপ্তানিকারক রপ্তানি আয়ের বিপরীতে এক কোটি টাকা প্রণোদনা পেলে সেখানে ১০ লাখ টাকা উৎসে কর ছিল, অর্থাৎ ১০ শতাংশ কর প্রযোজ্য। এটিই তার ন্যূনতম কর। নতুন বিধান হলে, এক কোটি টাকার রপ্তানি প্রণোদনার বিপরীতে উৎসে কেটে রাখা ৫ লাখ টাকা হবে অগ্রিম আয়কর; বাকি সাড়ে ২২ লাখ টাকা দিতে হবে বাড়তি কর। অর্থাৎ তার ওপর সাড়ে ২৭ শতাংশ করভার পড়ল। এ বিষয়ে এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস এর পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেন, “দেখুন, এমনিতেই গার্মেন্টসের অবস্থা খারাপ। অনেকদিন টানা কমে যাচ্ছে রপ্তানি। এরমধ্যে রপ্তানিকারকদের এই মুহূর্তে দাবি ছিল উৎসে করটা কমিয়ে দেওয়া। “তো উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করা হয়েছে, এটা ঠিক আছে। কিন্তু দিনশেষে আপনি যখন চূড়ান্ত কর থেকে বেরিয়ে এসেছেন, এটাকে ‘স্ট্যান্ডার্ড রেটে’ নিয়ে আসবেন, তখন তাদের ওপরও বোঝাটা থাকবেই। অর্থাৎ আপনি রপ্তানির জন্য একটা প্রণোদনা পাচ্ছেন, তার ওপরে এখন সাড়ে ২৭ শতাংশ কর দিতে হবে।” সাড়ে ২৭ শতাংশ কেন কর হবে, এ প্রশ্নে কর নীতির এই বিশ্লেষক বলেন, “রপ্তানিকারকদের খাত হিসেবে বলা হয়েছে তাদের রপ্তানি আয়ের ওপরে ১০ শতাংশ বা ১২ শতাংশ করপোরেট কর। যেহেতু সেটা রপ্তানি আয়। “কিন্তু এটা তো আসলে রপ্তানি আয় না। এটা কর প্রণোদনা। আয়কর আইন অনুযায়ী এটার ওপর ‘স্ট্যান্ডার্ট রেটে’ কর হবে। সুতরাং এটার প্রভাব কিন্তু অনেক। প্রভাব অনেক বেশি হয়ে যাবে।” ন্যূনতম করের ‘রেজিম’ থেকে বেরিয়ে আসার দাবি থাকলেও কোনো খাত বা ব্যক্তিকে এর থেকে বের করে আনার আগে ফল কী হবে তা খতিয়ে দেখা জরুরি বলে মনে করেন স্নেহাশীষ বড়ুয়া। “এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এটা উচিত ছিল- এটার ‘ইমপেক্ট স্টাডি’ করা। ওই শিল্পের লোকজনের সাথে আলোচনা করা যে এটা তাদের শিল্পকে কী পরিমাণ ‘এফেক্ট’ করবে।” একই সঙ্গে এ সিদ্ধান্ত চলতি অর্থবছরের আয়ের ওপর করায় রপ্তানিকারকদের ওপর ‘রেট্রোস্পেক্টিভ’ প্রভাব পড়বে বলেও তিনি তুলে ধরেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ