বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের খার্ক দ্বীপ দখল মার্কিন সেনাদের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করবে
/ ৪১ দেখা হয়েছে
বার : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

এনএনবি : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন, তিনি ইরানের প্রধান তেল অবকাঠামো কেন্দ্র ‘খার্ক দ্বীপ’ দখল করতে চান। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন বাহিনী দ্রুত দ্বীপটি দখল করে নিতে পারে। কিন্তু এমন পদক্ষেপ মার্কিন সেনাদের মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এবং যুদ্ধ শেষ হওয়ার বদলে আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। খার্ক দ্বীপ কোথায় এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? ইরানের উপকূল থেকে ১৬ মাইল (২৬ কিমি) দূরে পারস্য উপসাগরের উত্তর প্রান্তে খার্ক দ্বীপের অবস্থান, যা হরমুজ প্রণালি থেকে প্রায় ৩০০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। এই দ্বীপের চারপাশের পানি যথেষ্ট গভীর হওয়ায় এখানে এমন বড় বড় তেলবাহী ট্যাংকার নোঙর করতে পারে, যা ইরানের অগভীর উপকূলীয় এলাকায় ভিড়তে পারে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ইরানের মোট তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে সম্পন্ন হত। এটি যুক্তরাষ্ট্র দখল করলে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং তেহরানের অর্থনীতির ওপর প্রচ- চাপ পড়বে। উল্লেখ্য, বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ‘ওপেক’-এর মধ্যে ইরান তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ। বর্তমান পরিস্থিতি ও ট্রাম্পের অবস্থান: গত মার্চ ও এপ্রিলে মার্কিন বাহিনী খার্ক দ্বীপে বিমান হামলা চালিয়েছিল। ট্রাম্পের দাবি, সেখানকার সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করা হয়েছে। সে সময় রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসন সেখানে স্থল সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। এরপর দ্বীপে নতুন কোনো হামলা না হলেও ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় রাখতে এই দ্বীপের কাছাকাছি থাকা তেল ট্যাংকারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমার পছন্দ সবসময়ই ছিল খার্ক দ্বীপ দখল করা, আমার পছন্দ সেটাই। তবে আমেরিকার সেই মানসিক প্রস্তুতি বা সাহস আছে কি না আমি জানি না।” বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের তেল রপ্তানি ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় এখন খার্ক দ্বীপ দখল করলেই যে দেশটির অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক বড় কোনও ধস নামবে, তা নয়। ড্রোন হামলা ও মার্কিন সেনাদের ঝুঁকি: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিন বাহিনী হয়ত অপেক্ষাকৃত দ্রুত খার্ক দ্বীপ দখল করতে পারবে, কিন্তু তা যুদ্ধের দ্রুত কিংবা চূড়ান্ত সমাপ্তি ডেকে আনবে না।
ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংক ‘ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিস’-এর গবেষক রায়ান ব্রোবস্ট এবং ক্যামেরন ম্যাকমিলান বলেন, খার্ক দ্বীপ দখল ও নিয়ন্ত্রণে নিলে যুদ্ধ আরও ছড়িয়ে পড়া এবং দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। দ্বীপ দখলের পদক্ষেপ কোনও চূড়ান্ত বিজয় এনে দেবে- তেমন সম্ভাবনা কম। তারা সতর্ক করে বলেছেন যে, সেখানে মার্কিন সেনারা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে থাকবে। বিশেষ করে ইউক্রেইন যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ক্যামেরা যুক্ত ‘ফার্স্ট-পার্সন ভিউ (এফপিভি)’ ড্রোন হামলার শিকার হতে পারে তারা। তাছাড়া, ইরান যদি কোনও হামলা চালিয়ে সফল হয়, তাহলে তেহরান সরকার মার্কিন সেনাদের ওপর সেই হামলার ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ করতে পারে এবং সেনাদের গ্রাফিক মৃত্যুর ছবি প্রচারণার কাজে ব্যবহার করতে পারে। রসদ ও বাড়তি সেনার প্রয়োজন: যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সাবেক কমান্ডার জোসেফ ভোটেল গত মার্চ মাসে বলেছিলেন, খার্ক দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে মাত্র ৮০০ থেকে ১,০০০ সেনার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু তাদের জন্য বিশাল লজিস্টিক বা রসদ সরবরাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে। আর এই ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখাটাও আরেক বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটেল মনে করেন, খার্কে মার্কিন সেনারা অত্যন্ত অরক্ষিত অবস্থায় থাকবে এবং এই দ্বীপ দখল করে কোনও বিশেষ কৌশলগত সুবিধাও পাওয়া যাবে না। তার মতে, এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে ‘অদ্ভুত’ একটি বিষয়, যদিও প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র তা করার ক্ষমতা রাখে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ