বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সমুদ্র ও মাটির নিচে প্রথম ১২ পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের
/ ৪০ দেখা হয়েছে
বার : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ন

এনএনবি : বোতাম টিপলেই ঘটবে মহাপ্রলয়। পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়ে সমুদ্রে ও মাটির নিচে ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড সক্রিয়ভাবে মোতায়েন করেছে ভারত। অর্থাৎ, অস্ত্রগুলো এখন হামলার জন্য একেবারে প্রস্তুত রেখে ভারত ‘রেডি টু ফায়ার’ অবস্থান নিয়েছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি) তাদের সর্বসাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে এমন তথ্যই।
অস্ত্র ও সামরিক খাতের বৈশ্বিক নজরদারি সংস্থা সিপরি সোমবার তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, গত কয়েক দশক ধরে নয়াদিল্লির ঘোষিত নীতি ছিল ‘শান্তিপূর্ণ সময়ে’ পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং ডেলিভারি সিস্টেম, অর্থাৎ, ওয়ারহেডগুলো লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সম্পূর্ণ আলাদা আলাদা জায়গায় মজুত রাখা। কিন্তু সেই অবস্থান থেকে সরে এসে ভারত এখন ১২টি পারমাণবিক অস্ত্র আর মজুদ রাখা নয় বরং সেগুলোকে ‘সক্রিয় মোতায়েন’ (অপারেশনালি ডেপ্লয়েড) ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে। অর্থাৎ, এই ওয়ারহেডগুলোকে ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি (সাইলো) অথবা অত্যাধুনিক পারমাণবিক সাবমেরিনের ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করে একেবারে হামলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিনে (এসএসবিএন) অল্প কিছু পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন এবং সমুদ্রে নিয়মিত টহল দেওয়ার পাশাপাশি গত এক বছরে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের মজুতও কিছুটা বেড়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ভারতের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের ভা-ার সামান্য বেড়ে এখন ১৯০টি হয়েছে। এই অস্ত্রগুলো ভারতের বিমানবাহিনী, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং সাবমেরিন বহরের সমন্বয়ে গঠিত ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অধীনে রয়েছে। সিপরি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই ধারণা করা হত যে, শান্তিকালীন বা স্বাভাবিক সময়ে ভারত তাদের পারমাণবিক ওয়ারহেডগুলো ক্ষেপণাস্ত্র থেকে আলাদা রাখে। তবে সম্প্রতি ভারতের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে বিশেষ কন্টেইনার বা ক্যানিস্টারে রাখা এবং সমুদ্রে টহল জোরদারের পদক্ষেপ ইঙ্গিত দেয় যে, দেশটি হয়ত এখন স্বাভাবিক সময়েই কিছু পারমাণবিক ওয়ারহেড ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত রাখার নীতিতে চলে গেছে। ‘রেডি-টু-ফায়ার’ প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্র আগে থেকেই জুড়ে রাখার মানে হচ্ছে- ভারত এখন ‘রেডি-টু-ফায়ার’ অবস্থানে আছে। এর সুবিধা হল, যুদ্ধের সময়ে পরমাণু ওয়ারহেডগুলোকে ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে জুড়তে যে সময় লাগত, এই অবস্থানে থাকার কারণে সেই সময়টুকুও আর লাগবে না। বিশ্লেষকদের মতে, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিবেশী দেশগুলোর শক্তি বাড়তে থাকায় শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখা এবং যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে কৌশল বদলাচ্ছে ভারত। তবে সিপরি-র রিপোর্টে এও বলা হয়েছে যে, ভারত সম্ভাব্য আগ্রাসন প্রতিহত করতে ওয়ারহেড মোতায়েনের পদক্ষেপ নিয়েছে, কারও সঙ্গে অস্ত্র প্রতিযোগিতা করার জন্য নয়। ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি বহাল স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি)- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত এখনও ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ নীতি অনুসরণ করে। এই নীতি অনুযায়ী, ভারত কোনও যুদ্ধে নিজে থেকে আগে পারমাণবিক হামলা চালাবে না। ভারতীয় ভূখ- বা বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে তাদের বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলেই কেবল তারা পাল্টা আঘাত হানবে। আর পারমাণবিক ওয়ারহেড যদি ছোড়ার জন্য প্রস্তুত অবস্থায় থাকে, তাহলে ভারত শত্রুপক্ষ থেকে কোনও আকস্মিক পারমাণবিক হামলা হলে কালক্ষেপ না করে মুহূর্তের মধ্যেই চূড়ান্ত ধ্বংসাত্মক পাল্টা আঘাত হানতে পারবে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, ওয়ারহেড মোতায়েনের মধ্য দিয়ে বাকি বিশ্বকে ভারত এই বার্তাই দিচ্ছে যে, নয়াদিল্লির হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলেও তারা যে কখনও তা ব্যবহার করবে না, এমন যেন কেউ না ভাবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ