বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
পদ্মা ব্যারেজ শিলাইদহ পয়েন্টে নির্মাণের প্রস্তাব ঃ কুষ্টিয়া-পাবনা ‘টুইন সিটি’ গড়ার সম্ভাবনা
/ ১৪৩ দেখা হয়েছে
বার : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ন

কাগজ প্রতিবেদক ॥ শিলাইদহ ঠাকুরবাড়ী পয়েন্টে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প নির্মাণের প্রস্তাবকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত পাংশার হাবাসপুর পয়েন্টের পরিবর্তে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ এলাকায় ব্যারেজ নির্মাণের পক্ষে কারিগরি ও অর্থনৈতিক যুক্তি তুলে ধরেছেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরকার। তাঁর মতে, এ পয়েন্টে ব্যারেজ নির্মাণ করা হলে মূল প্রকল্পের লক্ষ্য পূরণের পাশাপাশি কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলার মধ্যে সরাসরি সেতু সংযোগ স্থাপন সম্ভব হবে, যা দুই শহরকে একটি ‘টুইন সিটি’ বা যমজ নগরীতে রূপ দিতে পারে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই মহাপরিকল্পনার কারিগরি ও অর্থনৈতিক দিক তুলে ধরেন। পানি সংকট মোকাবিলায় ব্যারেজের গুরুত্ব প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের মূল লক্ষ্য হলো শুষ্ক মৌসুমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানি সংকট মোকাবিলা করা। পাশাপাশি কৃষিতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, সুন্দরবনের লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাকে সচল রাখা। ব্যারেজটি বাস্তবায়িত হলে সুন্দরবন অঞ্চলের লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে এবং গড়াই নদী-মধুমতি নদী, মাথাভাঙ্গা নদী-হিসনা, চন্দনা নদী-বারাসিয়া, বড়াল নদী ও ইছামতি নদীসহ পাঁচটি প্রধান নদী ব্যবস্থায় পানির প্রবাহ সচল থাকবে। এর ফলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় ৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবে এবং প্রায় ২৯ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে।
ব্যারেজের সম্ভাব্য ২৯০ কোটি ঘনমিটার পানি ধারণক্ষমতা প্রসঙ্গে জাকির হোসেন সরকার বলেন, ব্যারেজ নির্মাণ হলে সীমান্ত থেকে ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ পর্যন্ত অংশটিও কার্যত রিজার্ভারের অন্তর্ভুক্ত হবে। তার মতে, সীমান্ত থেকে ফারাক্কা পয়েন্টের দূরত্ব এবং শিলাইদহ ঠাকুরবাড়ী থেকে পাংশার হাবাসপুরের দূরত্ব প্রায় সমান হওয়ায় শিলাইদহ পয়েন্টেও সমপরিমাণ পানি ধারণ করা সম্ভব। কিছু মহলের ধারণা, পাংশার হাবাসপুর পয়েন্টে ব্যারেজ নির্মাণ করলে চন্দনা-বারাসিয়া নদীতে পানি সরবরাহ সহজ হবে। তবে গবেষক জাকির হোসেন সরকার বলেন, চন্দনা-বারাসিয়া ছাড়া বাকি সব নদীর উৎপত্তিস্থল শিলাইদহ পয়েন্টের উজানে।
ঐতিহাসিকভাবে চন্দনা-বারাসিয়া নদীও একসময় গড়াই নদী থেকেই পানি পেত। গড়াই-চন্দনা অফটেক পুনরুজ্জীবিত করা গেলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, গড়াই নদীর অনেক ভাটিতে যেমন হাবাসপুর এলাকায়—ব্যারেজ নির্মাণ করলে গড়াই অফটেক ও ব্যারেজের মধ্যবর্তী স্থানে পানি স্থির হয়ে পলি জমার আশঙ্কা বাড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যারেজের কার্যকারিতা ও স্থায়িত্বের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। জাকির হোসেন সরকারের মতে, শিলাইদহ পয়েন্টে ‘ব্যারেজ কাম ব্রিজ’ নির্মাণ করা হলে একই প্রকল্পে দুটি বড় সুবিধা পাওয়া যাবে। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। এ ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প ও পর্যটন খাতে নতুন গতি সঞ্চার হবে। বিশেষ করে শিলাইদহ অঞ্চল এবং পাবনা জেলার পর্যটন সম্ভাবনা বাড়বে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিলাইদহ পয়েন্টে ব্যারেজ ও সেতু নির্মাণ হলে কুষ্টিয়া ও পাবনা শহর সরাসরি সংযুক্ত হয়ে একটি আধুনিক অর্থনৈতিক অঞ্চল বা ‘টুইন সিটি’ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে শিল্প, পর্যটন ও আঞ্চলিক বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ