কৃষি প্রতিবেদক ॥ ক্ষুদ্র আকৃতির এই ফলটির স্বাদ হালকা টক ও মিষ্টি। এই ফলের বিশেষত্ব হ’ল ভিটামিন সি এতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এর বাইরে সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট এবং আয়রনও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। অনেকগুলি ফল রয়েছে, যা ঔষধি গুণাবলীতে (Medicinal Properties) পরিপূর্ণ, কিন্তু তা অনেকেরই অজানা। আর এই ধরণের ফলগুলির মধ্যে ফলসা ফলটিও রয়েছে। এটি এমনই একটি ফল, যা বিশেষ করে মধ্য ভারতে উপলব্ধ হলেও আমাদের রাজ্যেও পাওয়া যায়।ক্ষুদ্র আকৃতির এই ফলটির স্বাদ হালকা টক ও মিষ্টি। এই ফলের বিশেষত্ব হ’ল ভিটামিন সি এতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এর বাইরে সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট এবং আয়রনও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। যার কারণে, এই ফলটি স্বাস্থ্যের জন্য কোনও ধন-সম্পদের চেয়ে কম নয়। এমন পরিস্থিতিতে, আসুন আমরা আপনাকে এই ফলটি খাওয়ার উপকারিতা কী তা বলি। ১) ক্লান্তিনাশক পানীয় এই ফলের রস গরমে ক্লান্তিনাশক। স্কোয়াশ ও অন্যান্য কোমল পানীয় তৈরিতেও এই ফলের রস ব্যবহার করা হয়। প্রতি ১০০০ গ্রাম ফল থেকে ৭২৪ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। বাংলাদেশে এ গাছের বাকল সাবানের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। প্রচলিত তথ্য অনুসারে, বাকলের আঠাল উপাদান খাদ্যদ্রব্য শোধনেও কাজে লাগে। ২) রক্তাল্পতা নিরাময়ে উপকারী – এটি এমন একটি ফল, যা আয়রনে সমৃদ্ধ। রক্তস্বল্পতার চিকিত্সায় এই ফলের ব্যবহারকে খুব উপকারী বলে মনে করা হয়। ৩) ভিটামিন সি –তে পরিপূর্ণ – আপনি যদি সর্দি, কাশি এবং গলা ব্যথায় সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন, তবে ফলসা ফলটির রস কিছুদিন পান করুন নিন। এটি শীঘ্রই স্বস্তি দেয়। ৪) পেটের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় ফলসা ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি পেটের ব্যথা এবং যে কোন সমস্যায় স্বস্তি প্রদানে সহায়ক। বলা হয়, কোন ব্যক্তি যদি নিয়মিত ফলসার রস পান করেন, তবে তার পেটের রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। ৫) ক্যানসার নিরাময় – এই ফলে রয়েছে অ্যান্থোসায়ানিন নামক ফ্ল্যাভোনয়েডস, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।


