বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
বাবাকে হারিয়ে আবেগঘন চিঠি বন্যা মির্জার
/ ৫৮ দেখা হয়েছে
বার : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিনোদন প্রতিবেদক ॥ বাবাকে হারানোর শোকে ভেঙে পড়েছেন অভিনয়শিল্পী বন্যা মির্জা। প্রয়াত বাবা মির্জা আবুল হাসনাত ইনামুল বারীকে স্মরণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন চিঠি লিখেছেন তিনি, যা এরই মধ্যে ভক্ত ও সহকর্মীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মির্জা আবুল হাসনাত ইনামুল বারী গত ১৫ এপ্রিল সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর সময় দেশে ছিলেন না বন্যা মির্জা; তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে দ্রুত দেশে ফিরে আসেন এই অভিনেত্রী। শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন বন্যা। সেখানে তিনি বাবাকে শুধু একজন অভিভাবক নয়, বরং সৎ, সাহসী ও নিরহংকার মানুষ হিসেবে তুলে ধরেন। চিঠিতে বন্যা লিখেছেন, ‘সব সন্তানই বাবাকে সৎ ও সাহসী ভাবতে ভালোবাসে, কিন্তু আমার বাবা সত্যিই তেমন ছিলেন।’ জীবনের প্রতি কোনো অভিযোগ ছিল না তার বাবার- বরং সব সময় চাইতেন সন্তানরা যেন তার কাছাকাছি থাকে। বাবার জীবনদর্শনের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, বড় পদে চাকরি করলেও কখনো বিলাসিতায় জড়াননি তার বাবা। পরিবারকে শিখিয়েছেন সাদামাটা জীবনযাপন, সততার মূল্যবোধ এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা। কর্মজীবনেও দায়িত্ববোধের কোনো ঘাটতি ছিল না তার-সময়নিষ্ঠা ও হাসিমুখে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা ছিল তার স্বভাব। অবসর জীবনে গুরুতর অসুস্থতা, এমনকি ওপেন হার্ট সার্জারির মতো কঠিন সময় পার করেও ভেঙে পড়েননি তিনি। বরং দৃঢ় মনোবলেই জীবনকে এগিয়ে নিয়েছেন। তবে সবচেয়ে আবেগঘন অংশটি ছিল তার বাবার শেষ সময়ের স্মৃতি। বন্যা জানান, মৃত্যুর আগের রাতে ভিডিও কলে সন্তানদের সঙ্গে কথা বলেন তার বাবা এবং সবার কাছে ক্ষমা চান। পরদিন সকালেই তিনি না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান-যেন বিদায়ের আগে সব হিসেব চুকিয়ে নেন। পোস্টের শেষে সবার কাছে বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন বন্যা মির্জা। পাশাপাশি, কারও মনে তার বাবার কারণে কোনো কষ্ট থেকে থাকলে তাদের কাছেও ক্ষমা প্রার্থনা করেন তিনি। উল্লেখ্য, মির্জা আবুল হাসনাত ইনামুল বারীর জানাজা ১৭ এপ্রিল শুক্রবার বাদ জুমা অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর মনসুরাবাদ জামে মসজিদে। পরে তাকে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়।
কর্মজীবনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অবসরের পর পরিবারকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও দেশ-বিদেশের খবরে আগ্রহী ছিলেন। ফুটবল, ক্রিকেট, রাগবি, টেনিস কিংবা গলফÑ সব ধরনের খেলাধুলা নিয়েই আলোচনা করতে ভালোবাসতেন তিনি। বাবাকে নিয়ে এই আবেগঘন লেখায় যেন এক সাধারণ অথচ অসাধারণ জীবনের গল্প তুলে ধরলেন বন্যা মির্জা-যেখানে ভালোবাসা, সততা আর বিদায়ের বেদনা একসূত্রে গাঁথা।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ