বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যে কারণে হিমেশ রেশমিয়াকে কখনো ক্ষমা করেননি আশা ভোঁসলে
/ ৭৮ দেখা হয়েছে
বার : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন

বিনোদন প্রতিবেদক ॥ ভারতীয় সংগীতজগতের কিংবদন্তি আশা ভোঁসলে ছিলেন স্পষ্টভাষী ও আত্মমর্যাদাবোধে দৃঢ় একজন শিল্পী। সংগীতের বিষয়ে কোনো আপস তিনি কখনোই করেননি। পাশাপাশি তিনি স্বামী রাহুল দেব বর্মণকে ভালোবাসতেন নিজের অস্তিত্বের চেয়েও বেশি। আমৃত্যু সেই ভালোবাসা তিনি বুকের ভেতরে ধারণ করেছেন।
রাহুল দেব বর্মণকে নিয়ে কেউ কোনো কটূ কথা বললে তিনি সহ্য করতেন না। সেই কারণেই এক সময় অভিনেতা-গায়ক হিমেশ রেশমিয়ার প্রতি তার ক্ষোভ চরমে পৌঁছায়।
ঘটনার সূত্রপাত একটি সাক্ষাৎকার থেকে। সেখানে হিমেশ রেশমিয়া নিজেকে কিংবদন্তি সুরকার রাহুল দেব বর্মণের সঙ্গে তুলনা করেন। সংগীতপ্রেমীদের কাছে বিষয়টি ছিল বিস্ময়কর, কিন্তু আশা ভোঁসলের কাছে এটি ছিল অসম্মানের শামিল। কারণ, আর ডি বর্মন শুধু একজন সুরকারই নন, তিনি ছিলেন আশা ভোঁসলের জীবনের অত্যন্ত কাছের মানুষ। ব্যক্তিগত ও পেশাগত- দুই দিক থেকেই তার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পোষণ করতেন আশা। ফলে এমন তুলনা তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি।
এই ঘটনার পর হিমেশ রেশমিয়া ক্ষমা চাইলেও আশা ভোঁসলে তা গ্রহণ করেননি। বরং তার অবস্থান আরও কঠোর হয়ে ওঠে। এমনকি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দেন তিনি। সেই সময় তিনি মন্তব্য করেন, এখনকার অনেক শিল্পী গানের চেয়ে অন্য উপস্থাপনায় বেশি গুরুত্ব দেন যা সংগীতের প্রকৃত মূল্যকে কমিয়ে দেয়। অনেকেই মনে করেন, তার এই বক্তব্যের ইঙ্গিত ছিল হিমেশের দিকেই। কারণ, টুপি পরে গান গাওয়ার স্টাইলের জন্য তিনি তখন ব্যাপকভাবে আলোচিত ছিলেন। সব মিলিয়ে, প্রিয় মানুষ ও সংগীতের মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে আশা ভোঁসলে কখনোই আপস করেননি। আর সেই কারণেই হিমেশ রেশমিয়ার সঙ্গে তার দূরত্ব আর কখনোই ঘোচেনি।

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ