বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সদ্যপ্রাপ্ত
‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে বিদায় নেবেন মেসি লেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা বিএনপি বিপ্লবের সন্তান: রিজভী বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি স্মরণসভা শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে: জুবাইদা রহমান ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে’, প্রথম ভাষণে বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা সয়াবিন তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও বাজারে নেই
/ ১০৬ দেখা হয়েছে
বার : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ন

এনএনবি : ঈদ সামনে রেখে ভোজ্যতেল নিয়ে কারসাজি আবার শুরু হয়েছে। রাজধানীর অনেক বাজারে সয়াবিন তেল খুঁজে পাচ্ছেন না ভোক্তারা। এতে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। অভিযোগ উঠেছে, দাম বাড়ার আশায় ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সয়াবিন তেল মজুত করে রাখছেন। ফলে সপ্তাহখানেক ধরে পাইকারি ও খুচরা বাজারে সয়াবিন তেলের ঘাটতির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তবে সরকারের দাবি, দেশে ভোজ্যতেলের কোনও ঘাটতি নেই এবং দাম বাড়ারও আশঙ্কা নেই। বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে ভিন্ন চিত্র পাওয়া গেছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, মার্চ মাসের শুরু থেকেই ডিলারদের কাছ থেকে তারা নিয়মিত সয়াবিন তেল পাচ্ছেন না। কখনও তেল পাওয়া গেলেও ডিলাররা বাড়তি দাম চাইছেন বলে অভিযোগ তাদের। অন্যদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরাÑ বিশেষ করে ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিলগেট থেকে ডিও অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের দাবি, আমদানিতে জটিলতা তৈরি হওয়ায় ডিও পরিশোধে বিলম্ব হচ্ছে। তবে ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী মিলমালিকদের বক্তব্য ভিন্ন। তারা বলছেন, নির্ধারিত দামের বেশি ডিলার দাবি করলে তার ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টন ভোজ্যতেল মজুত রয়েছে। পাশাপাশি আমদানি প্রক্রিয়ায় বা পাইপলাইনে রয়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টন। নতুন করে ঋণপত্র (এলসি) খোলার কাজও চলমান। এত মজুত থাকার পরও বাজারে সংকট কেনÑ এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর কেউ দিতে পারছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কোম্পানির পক্ষ থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। অন্যদিকে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি মুনাফার আশায় তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম ঘাটতি তৈরি করছেন। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বাজারে তেল না পৌঁছানোর অভিযোগ উঠছে। ডিলার পর্যায়ে সঠিকভাবে তেল না পৌঁছানো এবং বাজার তদারকি কম থাকাও পরিস্থিতি জটিল করছে। গত সপ্তাহে সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং এক ফোঁটাও দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই। তিনি বলেন, কিছু এলাকায় সাময়িক সরবরাহ চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক ভোক্তা আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে রাখায় কিছু দোকানে মজুত দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। তবে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক দোকানেই বিক্রির মতো সয়াবিন তেল নেই। কারওয়ানবাজারের একাধিক দোকানদার জানান, তাদের কাছে বোতলজাত সয়াবিন প্রায় শেষ হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও সীমিত সরবরাহ থাকলেও তা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ভোজ্যতেলের মোট চাহিদা প্রায় ২৪ থেকে ৩২ লাখ টন। এর মধ্যে স্থানীয় উৎপাদন মাত্র ১২ থেকে ১৯ শতাংশ। ফলে চাহিদার ৯০ শতাংশের বেশি আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। দেশে মাসিক ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টন। রমজান মাসে এই চাহিদা বেড়ে প্রায় ৩ লাখ টনে পৌঁছে যায়। গত বছরের ডিসেম্বরে সরকার সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৬ টাকা বাড়ানোর অনুমোদন দেয়। তখন বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় লিটারপ্রতি ১৯৫ টাকা। তবে বর্তমানে বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ২১০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। অনেক পাড়ার দোকানেই বোতলজাত সয়াবিন পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। কাওরানবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “গত ১৫ দিন ধরে আমরা সয়াবিন তেলের সরবরাহ পাচ্ছি না। ডিলাররা বলছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই দাম বাড়তে পারে।” তবে সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “অনুমোদিত ডিলাররা তেল পাচ্ছেন নাÑ এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমাদের পক্ষ থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।”

 

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ