কাগজ প্রতিবেদক ॥ কুষ্টিয়ায় বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই সাপের উপদ্রব মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। এর ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সাপে কাটা ১৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে আতঙ্ক বাড়িয়েছে একটি বিষধর রাসেল ভাইপারের কামড়ের ঘটনা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরের পর থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাপে কাটা মোট ১৩ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ওয়ার্ডে ১০ জন এবং মহিলা ওয়ার্ডে ৩ জন ভর্তি রয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে দৌলতপুর উপজেলার জুবায়ের (২০) মাগরিবের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সাপের কামড়ে আহত হন। কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের কৃষক শহিদুল ইসলাম পাট ধোয়ার সময় এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক রহিবুল মাঠে কাজ করার সময় সাপের কামড়ের শিকার হন। এছাড়া ভেড়ামারা উপজেলার কলেজপাড়া এলাকার হারুন বিষধর রাসেল ভাইপারের কামড়ে আহত হয়ে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ভর্তি হওয়া সকল রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের অ্যান্টিভেনমসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া ২শ ৫০ শর্য্যার হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিষ্টার মাহফুজুর মাহফুজুর রহমান জানান. ভর্তি হওয়া সকল রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের অ্যান্টিভেনমসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে সাপের প্রজনন ও বিচরণ বেড়ে যাওয়ায় কুষ্টিয়া অঞ্চলে সাপের উপদ্রুপ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি জানান।


