বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চীনের ‘জাতিগত একীকরণ’ আইনের প্রতিবাদে তিব্বতি যুব কংগ্রেসের বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভ দিল্লিতে বিক্ষোভ থেকে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের তথ্য গোপন করছে পেন্টাগন, আশঙ্কা হোয়াইট হাউসের দিল্লির আন্দোলনের কড়া সমালোচনায় কঙ্গনা দিল্লির আন্দোলনে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন শাবানা সঞ্চালনা করবেন তাহসান বিচারক হচ্ছেন পাঁচ তারকা রোনালদোর দেশ মাতাবেন মেসিভক্ত জায়েদ খান ‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার
সদ্যপ্রাপ্ত
চীনের ‘জাতিগত একীকরণ’ আইনের প্রতিবাদে তিব্বতি যুব কংগ্রেসের বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভ দিল্লিতে বিক্ষোভ থেকে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের তথ্য গোপন করছে পেন্টাগন, আশঙ্কা হোয়াইট হাউসের দিল্লির আন্দোলনের কড়া সমালোচনায় কঙ্গনা দিল্লির আন্দোলনে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন শাবানা সঞ্চালনা করবেন তাহসান বিচারক হচ্ছেন পাঁচ তারকা রোনালদোর দেশ মাতাবেন মেসিভক্ত জায়েদ খান ‘হুজুর বলছিলেন মনে কর তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’ কুমারখালীতে মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ জন্মজয়ন্তীতেও অবহেলিত গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার কাঙাল হরিনাথ মজুমদার দিল্লির রাজপথে ক্ষোভের সুনামি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সীমা লঙ্ঘনে’ দিশেহারা মোদি সরকার
কেন জন্মদিনে হোটেলে থাকতেন সত্যজিৎ রায়
/ ৪০ দেখা হয়েছে
বার : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ২:২৪ অপরাহ্ন

বিনোদন প্রতিবেদক ॥  বাংলা ও বিশ্ব চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী ছিল ২ মে। যিনি বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন, সেই মহান নির্মাতার জন্মদিন ঘিরেও রয়েছে এক ব্যতিক্রমী অভ্যাসের গল্প।
জানা যায়, সত্যজিৎ রায় অধিকাংশ জন্মদিনেই নিজের কলকাতার বাড়িতে সময় কাটাতেন না। বরং শহরের একটি পাঁচতারা হোটেলে অবস্থান করতেন তিনি। এর পেছনে ছিল মূলত অনুরাগীদের অতিরিক্ত ভিড় ও জনসমাগমজনিত অসুবিধা। জন্মদিনে তার কলকাতার বাসভবনের সামনে ভিড় জমাতেন শত শত ভক্ত। তাকে এক নজর দেখার জন্য অনুরাগীদের ভিড়ে এলাকায় তৈরি হতো তীব্র যানজট, ব্যাহত হতো স্বাভাবিক চলাচল। এসব পরিস্থিতি এড়াতেই তিনি ধীরে ধীরে হোটেলে জন্মদিন কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন। এছাড়া চিকিৎসকেরাও তাকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। জনসমক্ষে অতিরিক্ত চাপ এড়াতে এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তিনি। রিপোর্ট অনুযায়ী, জন্মদিনের আগের দিনই তিনি একটি হোটেলে গিয়ে অবস্থান নিতেন। সেখানেই দিনভর তিনি সময় কাটাতেন মূলত চিত্রনাট্য লেখা ও সৃজনশীল কাজে। জন্মদিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে তিনি আবার বাড়ি ফিরে আসতেন। তবে একা থাকতেন না তিনি। এই সময় তার স্ত্রী বিজয়া রায় তার সঙ্গে হোটেলে থাকতেন। অন্যদিকে বাড়িতে আসা অতিথি ও অনুরাগীদের সঙ্গে দেখা করতেন তাদের ছেলে সন্দীপ রায়। সৃজনশীল কাজের প্রতি গভীর মনোযোগ, ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখা এবং অনুরাগীদের ভিড় সামলানোর বাস্তবতা-সব মিলিয়ে জন্মদিনে হোটেলবাস ছিল সত্যজিৎ রায়ের এক ব্যতিক্রমী জীবনচর্চা। আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে এই গল্পটি সমানভাবে কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ
ফেসবুক পেজ